নিজেদের সবচেয়ে প্রিয় এবং শক্তির জায়গা ওয়ানডে সংস্করণে ব্যাডপ্যাচ থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ। সবশেষ দুই বছরে ৩৪ ওয়ানডেতে নয় জয় জানান দিচ্ছে- যাচ্ছেতাই অবস্থা দলটির। এমন পরিস্থিতিতে মেহেদি হাসান মিরাজদের সরাসরি ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সরাসরি আসন্ন বিশ্বকাপের টিকিট হাতে পাওয়ার জন্য এখন কঠিন সমীকরণ মেলাতে হবে তাদের।
সম্প্রতি আইসিসি প্রকাশিত ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে দশে নেমে গেছে বাংলাদেশ। ২০০৬ সালের অক্টোবরে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের নয়ে উঠে আসে তারা। টানা ১৯ বছর পর গত মে মাসে দশে নেমে যায় দলটি। গত মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের একটি ম্যাচ জিতে নয়ে ফিরেছিল বাংলাদেশ। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে পাকিস্তান হারায় ফের দশে নেমে যায় তারা।
২০২৭ বিশ্বকাপের আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকাও জিম্বাবুয়ে। আয়োজক হিসেবে এই দুই দলের সরাসরি বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত। শীর্ষ দশের বাকি ৮ দল বিশ্বকাপ খেলবে র্যাঙ্কিংয়ের বিচারে। ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের র্যাঙ্কিংয়ের সেরা আট দল সরাসরি পরবর্তী বিশ্বকাপে জায়গা করে নেবে। বাকি ৪ দলকে বাছাইপর্বে বাধা অতিক্রম করে বিশ্বমঞ্চে পা রাখতে হবে। অর্থাৎ বর্তমান অবস্থা বলছে- সরাসরি বিশ্বকাপে খেলতে চাইলে র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করতে হবে বাংলাদেশকে।
ফিউচার ট্যুর প্ল্যান (এফটিপি) অনুযায়ী- ডেডলাইনের আগ পর্যন্ত ২৬টি ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ১১টিতেই প্রতিপক্ষ নিচের সারির একাধিক দল। আসল সমস্যাটা এখানেই। কারণ নিচের সারির দলের বিপক্ষে জিতলে র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয় খুব কম। বিপরীতে হারলে ক্ষতি হবে অনেক বেশি। তাই সরাসরি বিশ্বকাপ খেলার জন্য পরবর্তী ২৬ ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের জন্য। যেখানে পা হড়কালেই দিতে হবে বাছাইপর্বের পরীক্ষা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

