চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দ্বিতীয় সেমিফাইনাল আজ। এ ম্যাচে নিউজিল্যান্ড আর দক্ষিণ আফ্রিকা পরস্পরের মুখোমুখি হবে। ম্যাচটি হবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় শুরু হবে দুদলের ফাইনালে ওঠার লড়াই। সেমিফাইনালের মঞ্চ মাতিয়ে ফাইনালের টিকিট পাবে কেÑ নিউজিল্যান্ড, না দক্ষিণ আফ্রিকা? অবশ্য এজন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে। তবে সেমিফাইনালের দুদল সমানে সমান। ব্যাটিং শক্তি বলেন, বোলিং অ্যাটাক কিংবা ফিল্ডিংÑ তিন বিভাগেই কেউই কারো চেয়ে পিছিয়ে নেই। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, দুদলের মধ্যে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির অন্যতম রোমাঞ্চকর এক ম্যাচই হবে আজ।
গ্রুপ পর্বে দারুণ খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। গ্রুপের কোনো ম্যাচেই হারেনি তারা। আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় তুলে নেয় প্রোটিয়ারা। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের ম্যাচটি বৃষ্টির বাধায় পরিত্যক্ত হয়। তিন ম্যাচে সর্বোচ্চ ৫ পয়েন্ট অর্জন করে সেমিফাইনালে উঠেছে টেম্বা বাভুমার দল। গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকা অপ্রতিরোধ্য হলেও মাঠের লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ড এগিয়ে যেতে পারে। কেননা, গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে স্বাগতিক পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে সহজে হারায় তারা। গ্রুপের শেষ ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে যাওয়ায় ‘এ’ গ্রুপে রানার্সআপ হতে হয় নিউজিল্যান্ডকে। কিন্তু সাম্প্রতিক ফর্মের কারণেই দলটি এগিয়ে থাকবে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফি শুরুর আগে পাকিস্তানকে তাদের মাঠে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জিতে নেয় মিচেল স্যান্টনাররা। ওই সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকাকেও হারায় তারা। ফলে আবারও পাকিস্তানের মাঠে ম্যাচ। কীভাবে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে জিততে হবে, সেই অভিজ্ঞতা নিউজিল্যান্ডের আছে। শুধু তা-ই নয়, গত এক বছরে যে কটি ওয়ানডে খেলেছে দুদল, সেখানেও নিউজিল্যান্ড এগিয়ে। ১২ ম্যাচ খেলে তাদের জয় ৭টি। শতকরা জয়ের হার ৩৮.৪৬ শতাংশ। যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৩ ম্যাচের মধ্যে জিতেছে ৫টিতে। তাদের জয়ের শতকরা হার ৫৮.৩৩ শতাংশ।
অবশ্য ওয়ানডের অতীত পরিসংখ্যানে নিউজিল্যান্ডের চেয়ে অনেক এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। দুদল একে অপরের বিপক্ষে এ পর্যন্ত মোট ৭৩টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে ৪২টি জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। নিউজিল্যান্ডের জয় ২৬টি ম্যাচে। বাকি ৫টি ম্যাচের ফল হয়নি। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দুদল খেলেছে দুটি ম্যাচ। সমান একটি করে জয়ের রেকর্ড দুদলের। ২০০৯ সালের আসরে নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এর আগে ২০০৬ সালের আসরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৮৭ রানে জিতেছিল নিউজিল্যান্ড।
এদিকে সেমিফাইনালের আগে এইডেন মারকামের ইনজুরির শঙ্কা কাটেনি। ফলে আজ তাকে ছাড়াই নাকি একাদশ গড়বে দক্ষিণ আফ্রিকাÑ সেটি দেখার বিষয়। তবে নিউজিল্যান্ড দলে কোনো ইনজুরি সমস্যা নেই।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

