দলের জয়ের দিন গোল করতে পারলে খুব স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি ভালো লাগা কাজ করে খেলোয়াড়দের মনে। এমন একটি ম্যাচ শেষে মাঠ ছাড়ার সময় চোখেমুখে থাকে তৃপ্তি ও খুশির ছাপ। যদিও আল খুলুদের বিপক্ষে ম্যাচে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর শরীরী ভাষায় এর বিপরীত চিত্রই দেখা গেল।
গত ১৪ মার্চ (শুক্রবার) দিবাগত রাতে সৌদি প্রো লিগের ম্যাচটিতে আল খুলুদকে ৩-১ গোলে হারায় আল নাসের। আল আউয়াল পার্কে ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন রোনালদো। সাদিও মানের বাড়ানো বলে জন দুরানের নেওয়া শট বারে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বল পেয়ে জালে জড়ান সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা। এটা ক্যারিয়ারে তার ৯২৮তম গোল। অর্থ্যাৎ আর ৭২ বার জালের দেখা পেলেই হাজারতম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করা ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার বনে যাবেন রোনালদো।
কোনো সন্দেহ নেই, এই মাইলফলক স্পর্শ করার জন্য নিজের সেরাটাই দিয়ে যাচ্ছেন রোনালদো। যদিও খুলুদের বিপক্ষে পুরো সময় খেলার সুযোগ পাননি। ম্যাচের ৬১ মিনিটে তাকে তুলে নিয়ে আইমান ইয়াহইয়াকে নামান আল নাসের কোচ স্টেফানো পিওলি।
বিষয়টা মেনে নিতে না পেরে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখান রোনালদো। মাঠ ছাড়ার পর ডাগআউটে যাননি। টাচলাইন পার হওয়ার পর পিওলিকে বিড়বিড় করে কিছু একটা বলে সোজা টানেলের দিকে হাঁটা দেন।
যদিও রোনালদোকে না তুলে নিয়ে উপায় ছিল না পিওলির। ৫৬তম মিনিটে রক্ষণভাগের খেলোয়াড় নাওয়াফ বোশাল লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আল নাসের। এমতাবস্থায় ঝুঁকি এড়াতে একজন রক্ষণভাগের খেলোয়াড় খুব দরকার ছিল দলটির। রোনালদোর বদলি হিসেবে নামা ইয়াহইয়া মূলত একজন উইঙ্গার হলেও রক্ষণভাগও সামলাতে পারেন। মূলত বিষয়টি মাথায় রেখেই রোনালদোকে তুলে ইয়াহইয়াকে বেছে নেন আল নাসেরের প্রধান শিক্ষক।
মাঠ ছাড়ার সময় মন খারাপ করলেও ম্যাচ শেষে দলের জয়ে যে বেশ খুশিই ছিলেন সেটা বোঝা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রোনালদোর পোস্ট দেখে। এক্সে তিনি লিখেছেন, ‘আরেকটি যুদ্ধ জয় করলাম। চলো এগিয়ে যায়।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

