চ্যাম্পিয়নস ট্রফি

‘পাকিস্তান স্বাগতিক, কিন্তু ঘরের মাঠের সুবিধা নিচ্ছে ভারত’

‘পাকিস্তান স্বাগতিক, কিন্তু ঘরের মাঠের সুবিধা নিচ্ছে ভারত’

পাকিস্তান সফরে যেতে কিছুতেই রাজি হয়নি ভারত। যে কারণে হাইব্রিড মডেলের পথে হেঁটেছে আইসিসি। আর এই সুবিধা নিয়ে রোহিত শর্মারা গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ খেলছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এরই মধ্যে সেমিফাইনালেরও টিকিট কেটে ফেলেছে তারা।

বিজ্ঞাপন

ফাইনালে নাম লিখতে পারলেও ভারত শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটিও খেলবে একই দেশের একই ভেন্যু দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। কিন্তু চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মূল আয়োজক হয়েও পাকিস্তানকে খেলতে হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে গিয়ে।


বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ইতোমধ্যে ভারতের বিপক্ষে খেলে ফেলেছে দুবাইয়ের মাটিতে। শেষ চারে ভারতের প্রতিপক্ষ যারাই হবে, তাদেরও খেলতে যেতে হবে আমিরাতে। এমনকি ভারত ফাইনালে উঠলেও অন্য ফাইনালিস্টকে উড়ে যেতে হবে দুবাইয়ে। শুধু ভারত খেলবে একই মাঠে। ব্যাপারটি নিয়ে সমালোচনামুখর হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার নিয়মিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। ভারতের এ বাড়তি সুবিধা নিয়ে এবার সরব হয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক দুই ক্যাপ্টেন নাসের হুসেইন ও মাইক আথারটন।


স্বাগতিক না হয়েও ভারতের স্বাগতিক দেশের সুবিধা পাওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা একটি পোস্ট উল্লেখ করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফে নাসের বলেন, “এটা বাড়তি সুবিধা। সেরা দলটির জন্য টুর্নামেন্টে এমন সুবিধা। আমি আগের দিন একটি টুইট দেখলাম, ‘পাকিস্তান স্বাগতিক; কিন্তু ঘরের মাঠের সুবিধাটা পাচ্ছে ভারত’- এটুকুতেই আসলে সবকিছু বোঝা যায়।”


অন্যান্য দলকে যখন ভ্রমণক্লান্তি কাটিয়ে ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে লড়াই করতে হচ্ছে, তখন সব ম্যাচ একই মাঠে খেলায় দল বাছাইয়েও বাড়তি সুবিধা নিচ্ছে ভারত। এ নিয়ে নাসেরের ভাষ্য, ‘অন্য সব দলকেই সাজাতে হয়েছে কয়েকটি ভেন্যু মাথায় রেখে- করাচি, লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি আর দুবাই। তাদের ভ্রমণ করতে হবে আর এসব কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।’


যখন আইসিসির কিছু করার থাকে না, তখন অন্য কারো কিছু বলার বা করারও থাকে না। কারণ ভারত-পাকিস্তান ছাড়া বৈশ্বিক টুর্নামেন্টই হয় না। এমনটাই মনে করেন নাসের, ‘এটা একটা বাড়তি সুবিধা; কিন্তু আপনি আর কী করতে পারবেন? যখন একবার ভারত বলবে আমরা পাকিস্তানে যাব না- তখন আইসিসির কী করার থাকে? ভারত-পাকিস্তান ছাড়া আপনি এ ধরনের টুর্নামেন্ট করতে পারবেন না। তারা খুশি মনে ও স্বাচ্ছন্দ্যে দুবাইয়ে বসে বলবে যে পাঁচ ম্যাচই এখানে হবে, যদি তারা জিতে যায়, তাহলে আরো একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট জিতে যাবে।’


আরেক ইংলিশ ক্রিকেট গ্রেট মাইক আথারটনও কথা বলছেন নাসেরের সুরে। তারও সেই অভিন্ন অভিযোগ, ‘শুধু দুবাইয়ে খেলার যে সুবিধা পাচ্ছে ভারত, যেটা আমার চোখে পরিমাপ করা কঠিন হলেও তা সুস্পষ্ট সুবিধা।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন