চ্যাম্পিয়নস ট্রফি

বৃষ্টিতে ভেসে গেল ম্যাচ, সেমিতে অস্ট্রেলিয়া

বৃষ্টিতে ভেসে গেল ম্যাচ,  সেমিতে অস্ট্রেলিয়া



জয়ের পথেই ছিল অস্ট্রেলিয়া। দাপুটে ব্যাটিংয়ে ফিফটি হাঁকিয়ে তেমন আভাসই দেন ট্রাভিস হেড (৫৯*)। তার হাফ-সেঞ্চুরিতে মনে হচ্ছিল, হেসে-খেলে জিতেই শেষ চারে জায়গা করে নেবেন স্টিভেন স্মিথরা। শুধু ওপেনার ম্যাথু শর্টের উইকেট হারিয়ে ১২.৫ ওভারেই ১০৯ তুলে ফেলছিল অজিরা। কিন্তু শেষে আবহাওয়ার পূর্বাভাসই সত্যি হয়ে যায়। বৃষ্টি হানা দিয়ে বসে লাহোরে। প্রকৃতির খামখেয়ালীতে অস্ট্রেলিয়া-আফগানিস্তানের মধ্যকার ম্যাচ হয়ে যায় পণ্ড। মাঠের লড়াই পরিত্যক্ত হওয়ায় দুদলই পেয়ে যায় সমান এক পয়েন্ট করে। তাতে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ 'বি' থেকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে নাম লিখেছে অজিরা।

দক্ষিণ আফ্রিকার সমান তিন পয়েন্ট পেলেও আফগানিস্তান রান রেটে অনেক পিছিয়ে। এ কারণে আফগানদের বিদায় কার্যত নিশ্চিত হয়েছে। তাদের সেমিফাইনালে উঠার সম্ভাবনা কেবল কাগজে-কলমেই টিকে আছে। হাশমতউল্লাহ শাহিদিদের ছিটকে যাওয়াটা এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। অপেক্ষা শুধু আনুষ্ঠানিকতার।

আফগানিস্তানের রান রেট এখন -০.৯৯০। সেমিফাইনালে খেলতে হলে এখন অলৌকিক কিছুই ঘটতে হবে মাঠে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩০১ রানের লক্ষ্য তাড়া করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারতে হবে ২০৭ রানে। এটা হলেই কেবল গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে থেকে সেমিতে উঠতে পারবে আফগানিস্তান। কঠিন এই সমীকরণ মেলা এক রকম অসম্ভব।

দক্ষিণ আফ্রিকা যদি আগে ব্যাট করে তাহলে সেমিফাইনালে উঠে যাবে সহজে। কেননা অল্প রানে গুটিয়ে না গেলে প্রোটিয়াদের রান রেট (২.১৪০) আফগানদের নিচে নামবে না। আফ্রিকার দলটি ৫০ রানে অলআউট হলে, ইংল্যান্ড যদি ৫.৪ ওভারে (একইভাবে ৭৫ রান ৭.৬ ওভারে, ১০০ রান ৯.৬ ওভারে ও ১২৫ রান ১১.৫ ওভারে) জিতে যায়, তাহলেই কেবল বাভুমাদের রান রেট আফগানিস্তানের নিচে নেমে যাবে।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভারে ২৭৩ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান। ২২ রানে জাম্পার বলে লাবুশেনের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইব্রাহিম জাদরান। আফগানিস্তান যা রান পেয়েছে সেদিকউল্লাহ অটল আর আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ব্যাটে। ৬৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পর সেদিকউল্লাহ সেঞ্চুরির পথ ধরে এগোচ্ছিলেন। কিন্তু জনসনের গতির তোপে টিকতে পারেননি। ৮৫ রানে ফেরেন সেদিকউল্লাহ।

রশিদ খানের সঙ্গে ৩৩ বলে ৩৬ আর নুর আহমেদের সঙ্গে ২৫ বলে ৩৭ রানের জুটি গড়েন আজমতউল্লাহ। ৫টি ছক্কা ৬৩ বলে ৬৭ রানের ঝকমলে ইনিংস খেলে আউট হন এই অলরাউন্ডার। এ ম্যাচে এক্সট্রা থেকে ৩৭ রান পায় আফগানিস্তান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
আফগানিস্তান: ২৭৩/১০, ৫০ ওভার (সেদিকউল্লাহ ৮৫, ওমরজাই ৬৭, জাদরান ২২, শহিদি ২০; ডারশুইস ৩/৪৭, জাম্পা ২/৪৮, জনসন ২/৪৯, ম্যাক্সওয়েল ১/২৮)।

অস্ট্রেলিয়া: ১০৯/১, ১২.৫ ওভার (হেড ৫৯*, শর্ট ২০, স্মিথ ১৯*; ওমরজাই ১/৪৩)।

ফল: ম্যাচ পরিত্যক্ত।

বিজ্ঞাপন

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন