মাঠের বাইরে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা এবং প্রশ্নবাণের মুখে প্রায়শই পড়তে হয় আধুনিক ফুটবলের অন্যতম তারকা নেইমার জুনিয়রকে। তবে সমালোচকদের মুখের কথায় কান না দিয়ে বরাবরই নিজের জাদুকরী পারফরম্যান্স দিয়ে মাঠেই তার উপযুক্ত জবাব দিয়ে আসছেন। ঠিক তেমনি এক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল আবার, যেখানে নিজের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে সব সমালোচনার দাঁতভাঙা জবাব দিলেন এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার।
সাম্প্রতিক সময়ে পারফরম্যান্স ও ফিটনেস নিয়ে চলা বিভিন্ন গুঞ্জন ও সমালোচনার মাঝেই মাঠে নেমেছিলেন নেইমার। কিন্তু সব বিতর্ককে পেছনে ফেলে প্রমাণ করলেন, ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট। ম্যাচে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করে উপহার দিয়েছেন এক দুর্দান্ত ও দৃষ্টিনন্দন পারফরম্যান্স। গোল করার চেয়েও দলের জয়ে গোল বানিয়ে দেওয়া বা অ্যাসিস্ট করার ক্ষেত্রে ছিলেন অনন্য। ম্যাচে জোড়া অ্যাসিস্ট (দুটি গোল বানিয়ে দেওয়া) করে দলের জয় নিশ্চিত করার পথে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের শুরু থেকেই নেইমারের পায়ে বল মানেই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে আতঙ্ক। তার ক্ষিপ্রগতি, সুনিপুণ ড্রিবলিং এবং নিখুঁত পাসিংয়ের সুবাদে একের পর এক সুযোগ তৈরি করতে থাকে তার দল। প্রথমার্ধ থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত তার বুদ্ধিমত্তা ও পজিশনিং দলের আক্রমণভাগকে সচল রেখেছিল। তার চমৎকার দুটি অ্যাসিস্ট শুধু দলের জয়ই নিশ্চিত করেনি; বরং মাঠের খেলায় তার কার্যকারিতাও নতুন করে প্রমাণ করেছে।
ম্যাচ শেষে ফুটবল বিশ্লেষক ও সমর্থকরা এক বাক্যে স্বীকার করেন, সমালোচকদের জন্য এর চেয়ে বড় এবং কার্যকর জবাব আর হতে পারে না। নেইমার আবার প্রমাণ করলেন, যত কথাই হোক না কেন, খেলার মাঠে নিজের জাত চেনাতে একাই একশ। এই জোড়া অ্যাসিস্ট কেবল একটি দলের জয়ই এনে দেয়নি; বরং তার সমালোচকদের মুখেও চিরতরে কুলুপ এঁটে দিয়েছে। ফুটবলপ্রেমীরা আশা করছেন, নেইমার তার এই ফর্ম অব্যাহত রেখে সামনে আরো অনেক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেবেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

