
শিশুর বিকাশে বাধা স্ক্রিন টাইম
দুই বছরের কম বয়সি শিশু ও টডলার বা হাঁটি হাঁটি পা পা করা শিশুদের মোবাইল-ট্যাবলেটের পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকার বিষয়টি তাদের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার মানের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

দুই বছরের কম বয়সি শিশু ও টডলার বা হাঁটি হাঁটি পা পা করা শিশুদের মোবাইল-ট্যাবলেটের পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকার বিষয়টি তাদের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার মানের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

মোবাইলফোনের কয়েকটি ক্লিকেই ঋণের আবেদন, যাচাই-বাছাই, এমনকি ঘরে বসেই ঋণের টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। এই ব্যবস্থাকেই বলা হচ্ছে ‘ই-লোন’ বা ডিজিটাল ঋণ। বাংলাদেশেও ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধীরে ধীরে এ ধরনের সেবা বাড়াচ্ছে।

ঢাকার শিশুরা প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা মোবাইল, টেলিভিশন ও কম্পিউটারের ডিজিটাল স্ক্রিনে সময় কাটায়, যা তাদের ঘুম, শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)। সংস্থাটির গবেষণায় দেখা গেছে, এক-তৃতীয়ংশেরও বেশি

বর্তমান যুগে মোবাইল ফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাজ, যোগাযোগ, শিক্ষা কিংবা বিনোদন—সবকিছুতেই এখন স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়েছে বহুগুণ। কিন্তু দীর্ঘসময় মোবাইল ব্যবহারের একটি নীরব ক্ষতিকর দিক হলো ঘাড়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়া, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘টেক্সট নেক সিনড্রোম’।



















