
পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের আরো কাছে বাংলাদেশ
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের অভিজাত ক্লাবে নাম লেখাল বাংলাদেশ। এক দশকের নিরবচ্ছিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ এবং জটিল সব কারিগরি ধাপ পেরিয়ে অবশেষে মিলেছে কাঙ্ক্ষিত ‘কমিশনিং লাইসেন্স’।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের অভিজাত ক্লাবে নাম লেখাল বাংলাদেশ। এক দশকের নিরবচ্ছিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ এবং জটিল সব কারিগরি ধাপ পেরিয়ে অবশেষে মিলেছে কাঙ্ক্ষিত ‘কমিশনিং লাইসেন্স’।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে ‘ফুয়েল লোডিং’ শুরু হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে ৩৩তম দেশ হিসেবে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশ হচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণ খরচ, কবে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে, গ্রিড সক্ষমতা ও সঞ্চালন লাইনের কাজ কতদূর?- এমন নানা প্রশ্ন স

পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের চূড়ান্ত ধাপে যাত্রা শুরু করলো বাংলাদেশ। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে বসানো হলো ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দেশ। আগস্ট-সেপ্টেম্বরে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে যোগ হতে পারে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিং করা হচ্ছে আজ মঙ্গলবার। বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় অবস্থিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জালানি লোডের মাধ্যমে ঘটনাবহুল পরিক্রমার পর এটির প্রথম ইউনিট পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাবে।



আমার দেশ-এ সংবাদ প্রকাশের পর


একনেকে ২৫ প্রকল্প অনুমোদন




শাহজালালের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ড



রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগে অনিয়ম




