ইউক্রেনের যুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিরক্ষার কাজে সহায়তার জন্য ব্রিটিশ সেনা পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। এজন্য সব ধরনের প্রস্তুতিও রয়েছে তাদের। কারণ, তিনি আমেরিকাকে দেখাতে চান, সংঘাত অবসানের আলোচনায় ইউরোপীয় দেশগুলোরও ভূমিকা থাকা উচিত। রোববার এমনটাই জানিয়েছেন স্টারমার।
স্টারমার বলেছেন, তার এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য ব্রিটিশ সেনাদের কোনো ধরনের ক্ষতির মুখে ঠেলে দেওয়া নয়। বরং ইউক্রেনে আরো আগ্রাসন চালানো থেকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বিরত রাখা এবং ইউক্রেনে ‘স্থায়ী শান্তি’ প্রতিষ্ঠা করা।
এর আগে রোববার আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের যে কোনো ‘প্রকৃত আলোচনার’ অংশ হবে ইউক্রেন এবং ইউরোপ। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে রাশিয়ার সঙ্গে আমেরিকার আলোচনায় পুতিন শান্তির বিষয়ে কতটা গুরুত্ব দেয় তা দেখার সুযোগ রয়েছে।
স্টারমার ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় লেখেন, ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যু্দ্ধ সমাপ্তির বিষয়টি পুতিনের পুনরায় আগ্রাসন শুরুর আগের সাময়িক বিরতি হতে পারে না। তাই ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে ব্রিটিশ সেনা মোতায়েনের কথা বিবেচনা করছেন তিনি। কারণ, ব্রিটেন আলোচনার মাধ্যমে যে কোনো শান্তি চুক্তিতে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী।
তিনি আরও বলেছেন, বিষয়টিকে তিনি হালকাভাবে নিচ্ছেন না। এর সঙ্গে জড়িত নিজ দেশের সেনাদের নিরাপত্তা। এদিকে ইউক্রেন নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তার এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে সোমবার প্যারিসে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলজ, পোলিশ প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক, ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং অন্য ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে যোগ দেবেন স্টারমার।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

