মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র হত্যাকাণ্ড নিয়ে গোপন নথি প্রকাশ

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র হত্যাকাণ্ড নিয়ে গোপন নথি প্রকাশ

মার্কিন প্রশাসন বর্ণবাদবিরোধী ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের হত্যাকাণ্ড নিয়ে বেশ কিছু গোপন নথি প্রকাশ করেছে। এরমধ্যে তার ওপর এফবিআই নজরদারির নথিও রয়েছে। খবর বিবিসির।

আদালতের জারি করা এক আদেশের ফলে ১৯৭৭ সাল থেকে মোট দুই লাখ ৩০ হাজার পৃষ্ঠার নথি জনসমক্ষে প্রকাশ নিষিদ্ধ ছিল।

বিজ্ঞাপন

মার্টিন লুথার কিং-এর পরিবারের সদস্যরা এসব নথি প্রকাশের বিরোধিতা করেছেন। তার দুই সন্তান এক বিবৃতিতে, তাদের পিতার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে এই নথিগুলোর অপব্যবহারের যেকোনো প্রচেষ্টার নিন্দা জানিয়েছেন।

১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল ৩৯ বছর বয়সে মেমফিসে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ হত্যার ঘটনায় জেমস আর্ল রে নামের এক পেশাদার অপরাধী দোষ স্বীকার করেছিলেন। পরে অবশ্য তিনি সেই স্বীকারোক্তি ফিরিয়ে নেন।

কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার আদায়ের এই নেতার দুই সন্তান, মার্টিন তৃতীয় এবং বার্নিস সোমবার এ বিষয়ে এক বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে নথিগুলো প্রকাশের সঙ্গে জড়িতদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয় যেন তারা লুথার কিং পরিবারের প্রতি সহানুভূতি, সংযম এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে বিষয়টি দেখেন।

বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, তাদের বাবার জীবদ্দশায় তাকে নিয়ে এফবিআই বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ায় এবং তার ওপর নজরদারি চালায়।

পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ১৯৯৯ সালে এক দেওয়ানি মামলার রায়ে বিচারক বলেছিলেন, কিং শুধু একজন বর্ণবিদ্বেষী বন্দুকধারীর হাতে মারা যাননি; বরং এটি ছিল একটি বড় ষড়যন্ত্রের ফল।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্টিন লুথার কিংয়ের হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত নথিগুলো প্রকাশ করার নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

ট্রাম্পবিরোধীরা বলছেন, এ নথি প্রকাশ আসলে একধরনের নজর ঘোরানোর চেষ্টা। কারণ, এমন সময় এটি প্রকাশ হয়েছে, যখন কিনা ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফ্রি এপস্টেইনের মৃত্যুর নথি নিয়ে স্বচ্ছ আচরণ না করার অভিযোগ উঠেছে।

আরএ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন