ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা পারস্য উপসাগরের তিনটি দ্বীপ নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দাবির প্রতি কানাডার সমর্থনের নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, দ্বীপগুলোর ঐতিহাসিক মালিকানা, ভৌগোলিক অবস্থান ও নথিভুক্ত তথ্যের বিপরীতে আমিরাতের দাবি সমর্থন করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি কানাডার অবস্থানের সমালোচনা করেন।
দ্বীপ তিনটি হলো আবু মুসা, বৃহত্তর তুনব ও ক্ষুদ্রতর তুনব। এগুলো ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে দ্বীপগুলোর মালিকানা নিয়ে ইরান ও আমিরাতের মধ্যে বিরোধ চলছে।
ইসমাইল বাঘাই এক্সে লিখেছেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৭১ সালে। অথচ ইতিহাসের বিপুল প্রমাণ, ভৌগোলিক বাস্তবতা ও নথিভুক্ত তথ্য থাকা সত্ত্বেও তারা ইরানের এই দ্বীপগুলোর মালিকানা দাবি করছে। এই দ্বীপগুলো বহু সহস্র বছর ধরে ইরানের অংশ।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিস্ময়করভাবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী এই অযৌক্তিক দাবির প্রতিধ্বনি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন!’
কানাডার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং ঐতিহাসিক ও আইনি তথ্যের প্রতি শ্রদ্ধা কি কানাডার মৌলিক নীতি, নাকি শুধু কানাডার নিজের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নেই তা গুরুত্বপূর্ণ? কানাডা কি বুঝতে পারছে না, এমন অবস্থান নিয়ে তারা কার্যত যে ডালে বসে আছে, সেটিই কাটছে?’
এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এক যৌথ বিবৃতি দেন। সেখানে তারা তিনটি দ্বীপের ‘দখলদারত্ব’ অবসানের আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, দ্বীপগুলোর দখল আমিরাতের সার্বভৌমত্ব এবং জাতিসংঘের সনদের নীতিমালা লঙ্ঘন করছে।
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

