খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা এবং ভ্যাটিকান সিটির সরকার প্রধান পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিশ্ব নেতারা। এই তালিকা থেকে বাদ যাননি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিও।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পোপ ফ্রান্সিসকে ‘মানবতাবাদ ও ন্যায়বিচারের সর্বোচ্চ মূল্যবোধের একজন রক্ষক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ক্রেমলিন জানিয়েছে, পুতিন এই অসাধারণ ব্যক্তির সঙ্গে অনেকবার সাক্ষাতের সৌভাগ্য অর্জন করেছিলেন। রুশ প্রেসিডেন্ট তার প্রতি সর্বদা গভীর শ্রদ্ধা ও প্রিয় স্মৃতি লালন করবেন।
এদিকে পোপ ফ্রান্সিসকে নিয়ে শোক বার্তা দিয়েছেন জেলেনস্কিও। তিনি বলেন, পোপ ইউক্রেন ও ইউক্রেনীয়দের জন্য শান্তির প্রার্থনা করেছিলেন। আমরা ক্যাথলিক ও সব খ্রিস্টানদের সঙ্গে একসঙ্গে শোক পালন করছি।
ভ্যাটিকানের দাপ্তরিক ওয়েবসাইট ‘দি হোলি সি’–এর তথ্যমতে, পোপ ফ্রান্সিসের আগের নাম জর্জ মারিও বারগোগ্লিও। জন্ম ১৯৩৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর, আর্জেন্টিনার বুয়েনস এইরেসের। বাবা মারিও আর রেগিনা সিভোরি। ইতালীয় অভিবাসী বাবা মারিও ছিলেন রেলওয়ের হিসাবরক্ষক।
রসায়নবিদ হিসেবে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর ধর্মের পথে পা বাড়ান জর্জ মারিও। পরবর্তী সময়ে তিনি দর্শন ও ধর্মতত্ত্বে পড়াশোনা করেন। ১৯৬৯ সাল ধর্মযাজক হন। ১৯৯৮ সালে আর্জেন্টিনায় আর্চবিশপ হন তিনি।
বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২০১৩ সালে তৎকালীন পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট পদ ছেড়ে দিলে পোপ নির্বাচিত হন জর্জ মারিও। নতুন নাম নেন ফ্রান্সিস। দক্ষিণ আমেরিকার কোনো দেশ থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপ তিনি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

