লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর সাম্প্রতিক হামলায় নারী ও শিশুসহ ৩১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৪০ জন।
লেবাননের জাতীয় বার্তা সংস্থার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
হামলার পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, গত এপ্রিলের মাঝামাঝিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবাননে ‘যুদ্ধবিরতি’ চলাকালেও ইসরাইলি সামরিক বাহিনী হিজবুল্লাহর শত শত যোদ্ধাকে হত্যা করেছে।
নেতানিয়াহু জানান, ইসরাইলের বড় ‘বাহিনী লেবাননের ভূখণ্ডের গভীরে অভিযান চালাচ্ছে’ এবং ‘বিভিন্ন এলাকা দখল ও নিয়ন্ত্রণ’ করার পাশাপাশি লেবাননের ভেতরে একটি ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ শক্তিশালী করছে।
তিনি আরো বলেন, হিজবুল্লাহর ড্রোনের বিরুদ্ধে তিনি একটি ‘বিশাল জাতীয় প্রচেষ্টা পরিচালনা করছেন’। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে হিজবুল্লাহর ড্রোনগুলো ইসরাইলের অত্যাধুনিক রাডার ও ইন্টারসেপশন (প্রতিরোধ) ব্যবস্থাকে পরীক্ষায় ফেলেছে।
সম্প্রতি হিজবুল্লাহ ‘ফার্স্ট-পারসন ভিউ’ (এফপিভি) ড্রোন মোতায়েন করেছে, যা ফাইবার অপটিক ক্যাবল দ্বারা পরিচালিত এবং এটি ইসরাইলি বাহিনীর জন্য মারাত্মক প্রমাণিত হয়েছে।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আমরা এক মুহূর্তের জন্যও লড়াই থামাব না এবং সামনে আরো বড় পদক্ষেপ আসছে, যতক্ষণ না ইসরাইলের নাগরিকদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে।’
এদিকে, দক্ষিণ লেবাননে মোতায়েন করা ইসরাইলি বাহিনীর ওপর ৩২টি হামলা চালানোর দাবি করেছে হিজবুল্লাহ।
অন্যদিকে, ইরানের ওপর যুদ্ধ অবসানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আজ হোয়াইট হাউসে একটি অনির্ধারিত মন্ত্রিসভা বৈঠক ডেকেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও জানান, যুদ্ধ অবসানের চুক্তির বিষয়ে কাতারে ‘নির্দিষ্ট ভাষা’ নিয়ে আলোচনা চলছে এবং এতে সম্ভবত ‘কয়েক দিন সময় লাগবে’।
সূত্র: আল-জাজিরা
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


