তুরস্কের অফিসিয়াল গেজেটে প্রকাশিত একটি রাষ্ট্রপতির আদেশে ঘোষণা করা হয়েছে যে, ২ জানুয়ারি থেকে পর্যটন এবং ট্রানজিটের উদ্দেশ্যে আসা চীনা নাগরিকদের তুরস্কে বিনা ভিসায় প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে।
তুরস্কভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম হুরিয়েত ডেইলি নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুসারে, গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ১৮০ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত তুরস্কে থাকতে পারবেন। এই সিদ্ধান্ত দ্বিপাক্ষিক পর্যটনে ইতিবাচক অবদান রাখবে এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরো গভীর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তুরস্ক এবং চীনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে তা ২০১০ সালে কৌশলগত সহযোগিতার স্তরে উন্নীত হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই সম্পর্ক নতুন করে আরো গতি পেয়েছে।
গত দুই দশক ধরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০১ সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১ বিলিয়ন ডলারে থাকলেও, ২০২৪ সালে তা ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে সর্বোচ্চে রেকর্ড পরিমাণে পৌঁছেছে।
তুরস্ক পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউট (টিইউআইকে) এর তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালে চীনে তুরস্কের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩.৪ বিলিয়ন ডলার, যেখানে আমদানির পরিমাণ ছিল ৪৪.৯ বিলিয়ন ডলার।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে, প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে বৈদ্যুতিক যানবাহন উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামালের মজুদ প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য তুরস্ক চীনের সাথে একটি অংশীদারিত্বের পরিকল্পনা করছে।
এই প্রেক্ষাপটে, বিওয়াইডি ইতিমধ্যেই তুরস্কে একটি উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, একই সাথে চেরি অটোমোবাইল কোং লিমিটেড, এসএআইসি মোটর কর্পোরেশন এবং গ্রেট ওয়াল মোটর কোং এর সাথেও আলোচনা করা হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

