রাশিয়া ও ইউক্রেনের সংঘাতকে ‘মোদির যুদ্ধ’ বলে বর্ণনা করেছেন হোয়াইট হাউজের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো। তার অভিযোগ, রাশিয়ার তেল কেনার মাধ্যমে ইউক্রেনে ক্রেমলিনের সামরিক অভিযানে অর্থায়ন করছে নয়াদিল্লি। খবর ব্লুমবার্গের।
ব্লুমবার্গকে দেওয়া সাক্ষাতকারে নাভোরো বলেন, ভারতের সঙ্গে তেল বাণিজ্যের মাধ্যমে মস্কো যে অর্থ উপার্জন করে, তা ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার হয়। তার অভিযোগ, রাশিয়া থেকে ভারতের জ্বালানি কেনাকাটাই মস্কোর সামরিক আগ্রাসনকে উসকে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘ভারত যা করছে তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ বহন করতে হচ্ছে। কারণ করদাতাদের অর্থ দিয়ে মোদির যুদ্ধে অর্থায়ন করতে হচ্ছে।’
উপস্থাপক ইউক্রেন যুদ্ধকে ‘পুতিনের যুদ্ধ’ বললেও তাকে শুধরে দিয়ে নাভারো বলেন, ‘আমি একে মোদির যুদ্ধ বলছি, কারণ শান্তির পথে যাওয়ার একটি বড় অংশ দিল্লির মধ্য দিয়েই যায়।’
ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধে ইন্ধন জোগানোর অভিযোগ করার পাশাপাশি নাভারো সতর্ক করে বলেছেন, মস্কো ও বেইজিংয়ের সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ঝুঁকি তৈরি করছে।
তিনি ভারতের বিরুদ্ধে বাণিজ্য ক্ষেত্রে দ্বিমুখী নীতি গ্রহণের অভিযোগ করেছেন।
ভারতের ওপর আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্ক এশিয়ার কোনো দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় পাল্টা শুল্ক। এটি ভারতের যুক্তরাষ্ট্রমুখী মোট রপ্তানির ৫৫ শতাংশের বেশি পণ্যে প্রযোজ্য হবে। যদিও ইলেকট্রনিকস ও ওষুধশিল্পের মতো কিছু পণ্য আপাতত শুল্কমুক্ত থাকছে, তবে পোশাক ও গহনার মতো শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



