জুলাই বিপ্লবে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু ও সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহাজান খানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে ছয়জনকে হাজিরের নির্দেশ ও মির্জা আজমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেয়। প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন—বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এদিন প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম। শুনানিতে এ মামলায় আনা অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে প্রাথমিক অভিযোগ গ্রাউন্ড বিবেচনায় অভিযোগ আমলে নেওয়ার আবেদন জানান । এছাড়া গ্রেপ্তার ছয়জনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ও একজনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আর্জি জানান।
পরে সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে হাজিরের নির্দেশের দেয় এবং পলাতক একজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এছাড়া মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২২ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়।
আমু ও শাহাজান ছাড়া মামলার অপর আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তাদের মধ্যে মির্জা আজম ছাড়া বাকিরা কারাগারে রয়েছেন।
এর আগে, ২ নভেম্বর আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট সাত নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। আসামিদের বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


