মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড বিষয়ক বিশেষ দূত জেফ ল্যান্ড্রি রোববার গ্রিনল্যান্ডে পৌঁছেছেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী জানা গেছে, তিনি কয়েক দিনের জন্য স্বায়ত্তশাসিত ড্যানিশ অঞ্চলটি সফর করবেন।
লুইজিয়ানা গভর্নর জেফ ল্যান্ড্রি তার নতুন দায়িত্বে প্রথমবারের মতো গ্রীনল্যান্ডে পৌঁছেছেন।
তিনি মঙ্গলবার ও বুধবার গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক-এ অনুষ্ঠিত একটি অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নেবেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
নিয়োগকর্তাদের সংগঠন গ্রোনল্যান্ডস এরভের্ভ কর্তৃক আয়োজিত ‘ফিউচার গ্রিনল্যান্ড’ অনুষ্ঠানটিতে বিনিয়োগকারী, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক নেতারা একত্রিত হবেন এবং সেখানে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার চেষ্টা করা হবে।
ল্যান্ড্রির সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বারবার দাবির কারণে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
এই দাবিকে শুধু গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কই নয়, পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোও সতর্কতার সঙ্গে দেখেছে।
স্থানীয় দৈনিক সেরমিতসিয়াক জানিয়েছে, ল্যান্ড্রি প্রায় ১০ জন সহকারী নিয়ে আসেন এবং পাঁচটি গাড়ির কনভয়ে শহরে প্রবেশ করেন।
ডেনমার্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সোমবার গ্রিনল্যান্ডে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মার্কিন দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘তারা গ্রিনল্যান্ডের বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে দেখা করবেন, কথা বলবেন ও শিখবেন। উদ্দেশ্য হল অর্থনৈতিক সুযোগ বাড়ানো, মানুষের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে বোঝাপড়া বৃদ্ধি করা।’
ট্রাম্প ২২ ডিসেম্বর ল্যান্ড্রিকে এই পদে নিয়োগ দেন।
জানুয়ারিতে, ট্রাম্প বারবারের গ্রীনল্যান্ড দখলের হুমকি থেকে সরে আসেন, এরপর কোপেনহেগেন ও নুক প্রথমবারের মতো ওয়াশিংটনে বৈঠক করে।
ট্রাম্প বারবার বলেছেন যে জাতীয় নিরাপত্তার কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
তিনি দাবি করেছেন, যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটির নিয়ন্ত্রণ না নেয়, তবে এই দ্বীপটি চীন বা রাশিয়ার হাতে চলে যেতে পারে।
গত মঙ্গলবার গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড, ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতি হলেও, তা এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি।
এসআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


