ভারতে নতুন কর্মসূচি দিয়ে মাঠে থাকছে ককরোচ পার্টি

ভারতে নতুন কর্মসূচি দিয়ে মাঠে থাকছে ককরোচ পার্টি
ছবি: সংগৃহীত।

ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নতুন কর্মসূচি দিয়ে মাঠে নামছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। ভারতের গ্রামীণ সরকারি বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো ও জবাবদিহি বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘স্কুল ঠিক করো’ নামে কর্মসূচি করবে সিজেপি। ভারতে মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলায় দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নিজ গ্রাম থেকেই এ কর্মসূচি শুরু হবে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সকাল সাড়ে ৭টায় সন্তুক পিম্পরি গ্রাম থেকে কর্মসূচিটির উদ্বোধন করা হবে।

দিল্লি থেকে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় দীপকে বলেন, ‘আমি আমার গ্রাম থেকেই “স্কুল ঠিক করো” কর্মসূচি শুরু করব। স্থানীয় নেতাদের অনুরোধ করব সরকারি স্কুলটি সংস্কার করতে এবং সেখানে বেঞ্চ, সুপেয় পানির মতো মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করতে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা কয়েকটি দল গঠন করেছি। এসব দল বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও সরপঞ্চদের সঙ্গে কথা বলবে এবং স্কুলগুলোর অবস্থা উন্নয়নে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করবে। কারণ, আমরা সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই কাজটি করতে চাই।’

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসের উপস্থিতিতে আয়োজিত তিরঙ্গা যাত্রা নিয়ে জানতে চাইলে দীপকে বলেন, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এ ধরনের র‍্যালি হওয়া উচিত। তবে শিক্ষার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন ভিডিও পাচ্ছি, যেখানে মেয়েরা অভিযোগ করছে—স্কুলে যেতে তাদের সাত কিলোমিটার পথ হাঁটতে হয় এবং সেখানে যাওয়ার কোনো রাস্তাও নেই।’

এর আগে কর্মসূচিটির ঘোষণা দেওয়ার সময় দীপকে সংশ্লিষ্ট এলাকার নেতাদের আহ্বান জানিয়েছিলেন। স্থানীয় সরকারি স্কুলগুলো সংস্কার করে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করার জন্যও তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ ছাড়া অভিভাবকদের নিজেদের সন্তানদের স্কুল পরিদর্শনের অনুরোধ করেন দীপকে। স্কুলে কোনো ঘাটতি দেখতে পেলে তা সিজেপিকে জানানোর আহ্বানও জানান তিনি।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দীপকে লিখেছিলেন, ‘স্বাধীনতার ৮০ বছর পরও গ্রামের শিশুদের স্কুলে মৌলিক সুবিধার জন্য আবেদন করতে হবে—এটা হওয়া উচিত নয়। একটি দেশ হিসেবে আমরা গ্রামীণ শিশুদের সবচেয়ে খারাপভাবে ব্যর্থ করেছি। এই স্বাধীনতা দিবসে গ্রামাঞ্চলের সরকারি স্কুলগুলোর উন্নয়নে সিজেপি ‘স্কুল ঠিক করো’ কর্মসূচি শুরু করবে।’

অন্য এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি ভারত চাই, যেখানে শিশুরা স্কুলে তেরঙ্গা নিয়ে যাবে, দারিদ্র্যের কারণে ট্র্যাফিক সিগন্যালে তা বিক্রি করবে না।’

সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

এমএমআর

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন