পারস্য উপসাগর ও আশপাশের জলসীমায় গত কয়েক দশকে সৃষ্ট দূষণের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করছে ইরান। সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে এ কথা জানান ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
তিনি লেখেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল থেকে যেসব পক্ষ লাভবান হয়, পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি পূরণে তাদের আইনি ও নৈতিক উভয় ধরনের দায় রয়েছে।’
বুধবার হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের কেশম দ্বীপের একটি সৈকতে ঘন কালো তেলের স্তর ভেসে আসে। সিএনএনের ভূ-অবস্থান যাচাই করা ভিডিওতে ওই তেল ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য দেখা গেছে।
বাঘাই বলেন, এটি দূষণের দৃশ্যমান একটিমাত্র উদাহরণ। গত কয়েক দশকে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের পানি এবং এ অঞ্চলের সামুদ্রিক প্রতিবেশ ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী দূষণের শিকার হয়েছে। এর ফলে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ট্রিলিয়ন ডলারে।’
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘এই ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দেবে কে? এ অঞ্চলের সস্তা জ্বালানি ব্যবহারকারী দেশগুলো, জাহাজ চলাচলের বীমা কোম্পানিগুলো, নাকি সেই আগ্রাসী দেশ ও তাদের মিত্ররা—যারা পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরকে সামরিক অভিযান এবং ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের পরীক্ষার ক্ষেত্রে পরিণত করেছে?’
এদিকে ওমানের পরিবেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বহনকারী একটি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ট্যাংকার থেকে ছড়িয়ে পড়া তেল দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাস মাদরাকাহ এলাকার কয়েকটি সৈকতে পৌঁছে গেছে।
সূত্র: সিএনএন
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


