যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক হওয়া ইরানের একটি মালবাহী জাহাজে চীনের পক্ষ থেকে ‘উপহার’ ছিল বলে ডোনাল্ড ট্রাম্প যে দাবি করেছেন, তা নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, এর কোনো তথ্যগত ভিত্তি নেই।
চীন নিজেকে একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, বিভিন্ন দেশের মধ্যে স্বাভাবিক বাণিজ্য প্রবাহ ব্যাহত করা উচিত নয়। এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে বেইজিং এই ধরনের দাবিকে ‘বিদ্বেষপূর্ণ মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছিল।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই চীন যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার আহ্বান জানিয়ে আসছে। ইরান চীনের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হওয়া সত্ত্বেও বেইজিং নিজেকে একটি নিরপেক্ষ পক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে।
তাদের দাবি, তারা ইরানকে কোনো অস্ত্র সরবরাহ করছে না।
তবে ট্রাম্পের এই নতুন অভিযোগ মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে তার সম্ভাব্য চীন সফরকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে। দুই দেশের সম্পর্ক স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে এই সফরটি হওয়ার কথা ছিল, যা যুদ্ধের কারণে আগেও একবার পিছিয়ে গিয়েছিল। প্রতারণার এই অভিযোগ সফরের আগে উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে দিল।
এদিকে, একই দিনে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তাইওয়ানকে অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে ইউরোপের সাতটি প্রতিষ্ঠানের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এই পদক্ষেপ চীনের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উত্তোজনার নতুন একটি মাত্রা যোগ করল।
সূত্র : আল-জাজিরা
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

