যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা এখন শূন্যের কোঠায়

আমার দেশ অনলাইন
আমার দেশ অনলাইন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা এখন শূন্যের কোঠায়
প্রতীকী ছবি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা এখন শূন্যের কোঠায় বলে জানিয়েছেন মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক এবং সাবেক মার্কিন আলোচক অ্যালান আয়ার।

তিনি বলেন, ‘ইরানিদের সঙ্গে আলোচনার কোনো গোপন বা জাদুকরী সূত্র নেই। তারা অন্য সবার মতোই। তারা নিজেদের কাজে অত্যন্ত দক্ষ। তারা তাদের কাজের ক্ষেত্র, ইতিহাস এবং খুঁটিনাটি সব বিষয়ে ভালোভাবেই অবগত। এখানে মূল বিষয়টি হলো আলোচনার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া।’

বিজ্ঞাপন

যেকোনো চুক্তি করতে হলে গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদি আলোচনা প্রয়োজন উল্লেখ করে আয়ার সন্দেহ প্রকাশ করেন, ট্রাম্প প্রশাসন একটি কার্যকর ও পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় সময় দিতে এবং আলোচনার টেবিলে দীর্ঘ সময় বসে কাজ করতে আদৌ প্রস্তুত কি-না।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আস্থা বাড়ানোর পদক্ষেপগুলো অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন তিনি। আয়ার আরো বলেন, ‘আপনার পূর্ণ আস্থার প্রয়োজন নেই। যদি পূর্ণ আস্থা থাকত, তবে আলোচনারই প্রয়োজন হতো না। আপনি কেবল আপনার শত্রুদের সঙ্গেই আলোচনা করেন। তবে সেখানে অন্তত কিছুটা আস্থা থাকা আবশ্যক।’

তার মতে, যুদ্ধের আগের সরকারের চেয়ে ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব অনেক বেশি কট্টরপন্থি এবং সামরিক মনোভাবাপন্ন। তারা বিশ্বাস করে, ওয়াশিংটন এবং ইসরাইল শেষ পর্যন্ত ইসলামি প্রজাতন্ত্রটিকে উৎখাত করতে চায়। ফলে তেহরানের আশঙ্কা, যেকোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি বা সাময়িক বিরতিকে তাদের শত্রুরা মূলত নিজেদের পুনর্গঠন এবং সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আরেকটি হামলার প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করবে।

আয়ার বলেন, ‘বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা একদম শূন্যের কোঠায়। তাই আলোচনার গতি ফিরিয়ে আনতে অন্তত কিছুটা আস্থা বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।’

সূত্র: আল-জাজিরা

এএম

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন