ইরান ইস্যুতে জরুরি বৈঠকে বসছে ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা।
ইসরাইলের স্থানীয় সময় আজ রাতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি বা সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রভাব ও বিস্তারিত বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
কিছু সামরিক বিশ্লেষকের মতে, সম্ভাব্য এই চুক্তির অংশ হিসেবে লেবাননে ইসরাইলের হামলা ও অভিযানের ক্ষেত্রে তেল আবিবকে বড় ধরনের ছাড় দিতে হতে পারে—এমন একটি আশঙ্কা ও ভয় তৈরি হয়েছে। তবে ইসরাইল এখনো দুটি ফ্রন্টকে (ইরান ও লেবানন) আলাদা রাখার পক্ষেই অবস্থান বজায় রেখেছে।
হামলার তীব্রতা ও রাজনৈতিক চাপ
হিসাব অনুযায়ী, কেবল গত রাতেই লেবাননের অভ্যন্তরে ৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। এর ফলে গত এক সপ্তাহে দেশটিতে মোট হামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০০টিতে।
ধারণা করা হচ্ছে, চুক্তির কারণে পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে ইসরাইল যতটা সম্ভব সামরিক সুবিধা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
এই যুদ্ধ পরিস্থিতি ইসরাইলের আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক বিতর্কের মূল বিষয়ে পরিণত হয়েছে, যেখানে প্রতিটি দলই ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। ইসরাইলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদের কাছ থেকেও সরকারের সমালোচনা করে এমন বক্তব্য শোনা গেছে।
উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ক্ষোভ
একই সঙ্গে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ক্ষোভের মুখে পড়েছে বর্তমান সরকার। সেখানকার নাগরিকেরা মনে করছেন, সরকার তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
ইসরাইলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর ইসরাইলের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কেবল গত রাতেই তাদের অন্তত ১৬ বার আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে হয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


