মাত্র ছয় কার্যদিবসে রামিসা হত্যার রায়

আনোয়ারুল আজিম তুহিন ও নাসির উদ্দিন লিটন

মাত্র ছয় কার্যদিবসে রামিসা হত্যার রায়

দেশের ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা মামলায় রায় ঘোষণা করা হয়েছে। মাত্র ছয় কার্যদিবসের মধ্যে দেওয়া রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

গতকাল রোববার জনাকীর্ণ আদালতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকিনের আদালত এ রায় ঘোষণা করে। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দুই আসামিকে যথাক্রমেÑপাঁচ লাখ ও দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল। জরিমানার অর্থ আসামিরা স্বেচ্ছায় না দিলে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্তপূর্বক বিক্রি করে রামিসার পরিবারকে দেওয়ার আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

বিজ্ঞাপন

এদিকে রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার হওয়ায় আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মাত্র ছয় কার্যদিবসের মধ্যে রামিসা হত্যার মতো একটি বেদনাদায়ক ঘটনার রায় ঘোষণা করতে সক্ষম হয়েছে আদালত। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম।

আইনমন্ত্রী বলেন, মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল প্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ যদি অগ্রাধিকার দিয়ে শুনানি করে, তবে আগামী তিন মাসের মধ্যে এ মামলার চূড়ান্ত রায় কার্যকর করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব।

রায়ের পর্যবেক্ষণে যা বলা হয়েছে

ঘড়ির কাঁটায় তখন বেলা ঠিক ১১টা। এজলাস কক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়ে সরগরম। ঠিক এ সময়ে বিচারক এসে এজলাসে তার জন্য নির্ধারিত চেয়ারে বসেন। এর আগে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে বিচারক রায় পড়া শুরু করেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের এ মামলাটি কেবল একটি ফৌজদারি বিচারিক কার্যক্রম নয়; এটি আমাদের সমাজের বিবেক, মানবতা, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা এবং আইনের শাসনের প্রতি এক গভীর ও কঠিন পরীক্ষা। একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন নির্মমভাবে নিভিয়ে দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা এ মামলার প্রতিটি পৃষ্ঠা বেদনা, ক্ষোভ, উদ্বেগ ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় পরিপূর্ণ।

যখন কোনো শিশু যৌন নির্যাতন, সহিংসতা কিংবা হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের শিকার হয়, তখন তা শুধু একটি পরিবারকে নয়, সমগ্র সমাজকে গভীরভাবে আহত করে এবং রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। নারী এ শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে গঠিত এ ট্রাইব্যুনাল বর্তমানে এক হাজার আটশতাধিক বিচারাধীন মামলার দায়িত্ব পালন করছে, যার প্রতিটি মামলাই শিশুদের প্রতি সংঘটিত সহিংসতা, যৌন নির্যাতন, শারীরিক নির্যাতন অথবা অন্যান্য গুরুতর অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত। প্রতিটি মামলার পেছনে রয়েছে একটি শিশুর অসহনীয় যন্ত্রণা, একটি পরিবারের দীর্ঘশ্বাস এবং ন্যায়বিচারের জন্য প্রতীক্ষারত অসংখ্য মানুষের প্রত্যাশা। সে প্রেক্ষাপটে শিশু রামিসার মামলাটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কারণ এ মামলায় তদন্ত, বিচারিক কার্যক্রম এবং সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।

বিচারক আরো বলেন, ট্রাইব্যুনাল সন্তোষের সঙ্গে লক্ষ করেছে, তদন্তকারী সংস্থা অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে মামলার তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে। একইভাবে বিজ্ঞ প্রসিকিউশন মামলার সব গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে অতি অল্প সময়ের মধ্যে আদালতের সম্মুখে উপস্থাপন করে বিচারকার্য দ্রুত ও কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তদন্তকারী কর্মকর্তা, প্রসিকিউশন এবং বিচারকার্যে সংশ্লিষ্ট সবার এ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্ব প্রশংসার দাবিদার। আদালত এ-ও প্রত্যাশা করে, শিশু রামিসার মামলার মতো দ্রুত, দক্ষ, নিরপেক্ষ ও মানসম্মত তদন্ত এবং বিচারিক কার্যক্রম ভবিষ্যতে শিশু নির্যাতন ও সহিংসতা সংক্রান্ত অন্য মামলাতেও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। বিচারপ্রার্থী জনগণ এবং বিশেষত ভুক্তভোগী শিশু ও তাদের পরিবার যেন অযথা দীর্ঘসূত্রতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে না থাকে, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাই একই রকম নিষ্ঠা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন এটাই এ আদালতের প্রত্যাশা।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক আরো বলেন, ন্যায়সংগত বিচার কেবল আদালতের একক প্রচেষ্টায় সম্ভব নয়; বরং তদন্তকারী সংস্থা, প্রসিকিউশন, ডিফেন্স, সাক্ষীরা এবং বিচারব্যবস্থার সব অংশীজনের সম্মিলিত দায়িত্বশীল অংশগ্রহণের মাধ্যমেই ন্যায়বিচারের লক্ষ্য অর্জিত হয়। আদালতের দায়িত্ব আবেগ দ্বারা নয়, বরং আইন, প্রমাণ ও ন্যায়বিচারের চিরন্তন নীতিমালার আলোকে সত্য উদঘাটন করা। শিশুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা একটি সভ্য ও মানবিক রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। এ আদালত অত্যন্ত সতর্কতা, সংবেদনশীলতা ও বিচারিক নিরপেক্ষতার সঙ্গে সাক্ষ্যপ্রমাণ, আলামত, চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং মামলার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর

শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের আসামি শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, রোববার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রশংসা করেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে আইনমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত পরিচালনা, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং দোষী ব্যক্তিরা প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তি পাবে। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে একই ধরনের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠা বজায় রাখার আহ্বান জানান। ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় উপস্থিত সদস্যরাও এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

রায়ে খুশি রামিসার পরিবার

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বলেন, আমাদের যা প্রত্যাশা ছিল, সেটা পেয়েছি। রায়ে আমরা শতভাগ খুশি। এ রায়ে আমার মনের যে প্রত্যাশা, যে আকাঙ্ক্ষা সেটা আমি পেয়েছি। আমি শতভাগ আশাবাদী রায় দ্রুত কার্যকর হবে। আল্লাহপাকের রহমত ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যে আমরা কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, বিচারক, পুলিশ ও প্রশাসন, সাংবাদিক ও বাংলাদেশের আপামর জনতা, যারা আমার ও আমার পরিবারের বিপদের সময়ে মানসিকভাবে সহায়তা করেছেন সবার কাছে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। অবশ্যই আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।

‘আলহামদুলিল্লাহ’ বললেন জামায়াত আমির

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডের রায়ে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ পড়লাম। গতকাল রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘রামিসা হত্যাকাণ্ডের রায়ে আলহামদুলিল্লাহ পড়লাম। এখন এ রায় অতি দ্রুত কার্যকর করে এ ধরনের নারকীয় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে দুষ্কৃতকারীদের প্রতি চূড়ান্ত বার্তা দেওয়ার সময় এসেছে।’

বিচারিক প্রক্রিয়ার মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল

রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘শিশু রামিসা হত্যার মামলায় রাষ্ট্রের সব যন্ত্র সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে বলে এত দ্রুত সময়ে বিচার করা সম্ভব হয়েছে। এত কম সময়ে শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার সম্পন্ন করে রাষ্ট্র তার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে। রায় বিচারিক প্রক্রিয়ার জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।’

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর সন্তোষ

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, রামিসার বাবা ন্যায়বিচার পেয়েছেন, আমরা সন্তুষ্ট। তিনি আরো বলেন, এ রায় ইতিহাসে যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

অপরাধী অপরাধের বিচার পেয়েছে : আসামিপক্ষ

আসামি সোহেল-স্বপ্নার রাষ্ট্র নিয়োগকৃত আইনজীবী মুসা কালিমুল্লাহ বলেন, আসামি সোহেল রানা দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজে দোষ স্বীকার করেন। রায়ে সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি। অপরাধী অপরাধের বিচার পেয়েছে।

মামলার বিচার প্রক্রিয়া

গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য রোববার দিন ধার্য করে আদালত। মাত্র ছয় কার্যদিবসে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।

এর আগে গত ২৪ মে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। এরপর গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওইদিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন লাশ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান।

পরে জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন