হোম > আমার দেশ স্পেশাল > বিশেষ প্রতিবেদন

ভোটের প্রচারে ভারত নিয়ে নীরব বিএনপি-জামায়াত

বশীর আহমেদ

বাংলাদেশে আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র আট দিন। নির্বাচনি প্রচারে ব্যস্ত প্রধান দুই দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বিগত নির্বাচনগুলোতে নির্বাচনি প্রচারে ভারত ইস্যুটি বিশেষ গুরুত্ব পেলেও এবারের প্রচারে ভারত ইস্যুটি নেই বললেই চলে। আগামী নির্বাচনকে বিতর্কিত ও বাধাগ্রস্ত করতে দিল্লি যখন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে মাঠে নামানো, নির্বাচন নিয়ে নানামুখী নেতিবাচক প্রচারণাসহ বিরামহীন অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে ভারত ইস্যুতে নীরব বিএনপি ও জামায়াত।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রধান দুই দলের ভারতনীতি ঠিক কী হবে-তা নিয়ে মুখ খুলতে রাজি নয় এই দুই দল। বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও এ ব্যাপারে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আমার দেশকে জানিয়েছেন, ভারত ইস্যুতে নির্বাচনের আগে আমরা কথা বলতে চাই না। জামায়াত নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা শুধু বলেছেন, ভারতসহ আমরা সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এবং দলটির আন্তর্জাতিক যোগাযোগবিষয়ক কমিটির সদস্য এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আমার দেশকে বলেন, জামায়াতের পররাষ্ট্রনীতি হলো- আমরা সব দেশের সঙ্গে সমান সম্মান ও মর্যাদার স্থান চাই। ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আমরা একই নীতিতে বিশ্বাসী।

ভারত ইস্যুতে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর এই নীরবতাকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ভারত ইস্যুতে সুস্পষ্ট অবস্থান না থাকলে দিনশেষে রাজনৈতিক দলগুলোকে তার মূল্য দিতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে যারাই সরকার গঠন করবে, তাদের দিল্লিকে ডিল করার ক্ষেত্রে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নির্বাচনের প্রধান দুই দল ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। তাই নির্বাচনের আগে ভারত অখুশি হয়-এমন কিছু বলতে চাইছে না তারা। তবে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে ভারত যে তাদের চেপে ধরবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আগামী নির্বাচিত সরকারকে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি মনে রাখতে হবে-বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম ভারতীয় আধিপত্যবাদ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

নির্বাচনি প্রচারে ভারত ইস্যু বিশেষ করে তাদের আগ্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য তেমনভাবে না থাকা-দিল্লির জন্য স্বস্তিদায়ক বলে মনে করছেন ভারতের থিংকট্যাংক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা। তারা বলছেন, বিএনপির নির্বাচনি স্লোগান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দলটি দিল্লি ও ইসলামাবাদের সঙ্গে সমদূরত্ব বজায় রাখার কথা বলেছে। একই সঙ্গে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের ওপর পাকিস্তান জামায়াতের কোনো প্রভাব নেই।

উল্লেখ্য, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে একের পর এক অপতৎপরতা চালিয়ে আসছে দিল্লি। শুরু তথাকথিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের ভুয়া অভিযোগ তুলে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে অব্যাহতভাবে চালানো হয়েছে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা। নানা উসকানিমূলক বক্তব্য সংবলিত শেখ হাসিনার ফোনালাপ ধারাবাহিকভাবে ফাঁস করা হয়েছে। টার্গেট করা হয়েছে ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনগুলোকে। উগ্রবাদী হিন্দুরা মোদি সরকারের সম্মতিতে একের পর এক তাণ্ডব চালিয়েছে মিশনগুলোতে। দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে হত্যার হুমকিসহ শিলিগুড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশের ভিসা সেন্টার জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। হিন্দু নির্যাতনের ভুয়া অভিযোগ তুলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বাংলাদেশি ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে। যার ফলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জনের মতো সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বাংলাদেশকে। সর্বশেষ আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে অপতৎপরতায় নেমেছে দিল্লি।

নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত ও বিতর্কিত করতে শেখ হাসিনাকেও শেষপর্যন্ত তারা মাঠে নামিয়েছে। প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের মতবিনিময়ের সুযোগ করে দিয়েছে দিল্লির ডিপ স্টেট। ওই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার চরম উসকানিমূলক একটি অডিওবার্তা তুলে ধরা হয়েছে। ওই অডিওবার্তায় শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনকে প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ে নির্বাচন ভন্ডুলে সন্ত্রাস উসকে দিয়েছেন। নির্বাচন বিতর্কিত বা বাধাগ্রস্ত করতে এসব অপতৎপরতার পাশাপাশি টার্গেট করা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে। ভারতীয় গণমাধ্যম ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এ যুগের ইয়াহিয়া খান হিসেবে তুলে ধরেছে। দিল্লির টার্গেট নির্বাচন ভন্ডুল করা। আর এটা যদি সম্ভব না হয়, তাহলে ‘না’ ভোটকে জয়যুক্ত করার পাশাপাশি ভোটার উপস্থিতি ৫০ শতাংশের নিচে রাখতে নানা তৎপরতা চালাচ্ছে দিল্লি।

দিল্লির এসব অপতৎপরতা নির্বাচনি প্রচারে বিএনপি ও জামায়াতের পক্ষ থেকে তুলে না ধরায় রীতিমতো বিস্মিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের বিষয়টি দেখভাল করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এমন একজন পদস্থ কর্মকর্তা আমার দেশকে বলেন, দিল্লির বাংলাদেশবিরোধী এসব অপতৎপরতা তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতিফলন। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখানো হলেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো এসব ব্যাপারে একেবারেই নীরব। এটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক। রাজনৈতিক দলগুলো যদি দিল্লির এসব পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতো তাহলে দিল্লিকে ডিল করা আমাদের জন্য আরো সহজ হতো। ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, আমাদের মিশনগুলো আক্রান্ত হলো, এটা আমাদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত। অথচ বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো কোনো ধরনের প্রতিবাদ করল না। এমনকি রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে আমরা কোনো বিবৃতিও দেখিনি। দিনশেষে রাজনৈতিক দলগুলোকেই দিল্লিকে ডিল করতে হবে। তখন নিশ্চিতভাবেই বিষয়টি রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দেবে।

এদিকে দিল্লির একটি কূটনৈতিক সূত্র আমার দেশকে জানিয়েছে, নির্বাচন সামনে রেখে প্রধান দুই দল-বিএনপি ও জামায়াতকে ভারত ইস্যুতে নীরব রাখতে পারা দিল্লির জন্য এক বড় পাওয়া। ভারত ইস্যুতে বিএনপির পাশাপাশি জামায়াতের মতো ইসলামি দলের নীরবতা- বাংলাদেশের জন্য ভালো কোনো বার্তা নয়। বাংলাদেশের আগামী নির্বাচিত সরকারকে চাপে রাখতে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে সাউথ ব্লক। গঙ্গার পানিচুক্তি নবায়ন, সীমান্ত নিরাপত্তা, সংখ্যালঘু ইস্যু, ট্রানজিটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ঢাকার ওপর চাপ বাড়াবে দিল্লি।

এবারের নির্বাচনি প্রচারে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে ভারত ইস্যুটি সামনে না আনায় খোদ ভারতীয়রাই রীতিমতো অবাক। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করে দিল্লি ফিরে এক সাক্ষাৎকারে ভারতের বিখ্যাত সাংবাদিক নীতিন গোখলে বলেছেন, এটা খুবই ইন্টারেস্টিং যে, বাংলাদেশের এবারের নির্বাচনি প্রচারে ভারতবিরোধী কার্ড দেখা যাচ্ছে না। রাস্তাঘাটে ভারত ইস্যু নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা নেই। ভারত নিয়ে যেটুকুই আলোচনা আছে-তা এলিটদের মধ্যে।

গোখলে বলেন, ৫ আগস্টের পর আমরা প্রচণ্ড ভারতবিরোধিতা দেখেছি। তরুণ নেতা হাদি (শরীফ ওসমান বিন হাদি) নিহতের পরও প্রবল ভারতবিরোধিতা চোখে পড়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে ভারতবিরোধী বয়ান একেবারেই কমে আসছে। তিনি বলেন, আমি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। জামায়াত নেতাদের সঙ্গেও কথা হয়েছে আমার। তারা অনেকটা সেক্যুলার দলের সুরে কথা বলছে এখন। তারা উন্নয়নের কথা বলছে, অগ্রগতির কথা বলছে। জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন-তাদের দলের ওপর পাকিস্তান জামায়াতের কোনো ধরনের প্রভাব নেই।

হরিয়ানার ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির জিন্দাল স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত ডেকান হেরাল্ডে প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলেছেন, এবার বিএনপির নির্বাচনি স্লোগান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। এই স্লোগান মানুষ গ্রহণ করেছে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার পরিকল্পনা তুলে ধরে দিল্লি ও ইসলামাবাদের সঙ্গে সমদূরত্ব বজায় রাখার কথা বলেছেন। দলটি ইতোমধ্যে জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। তিনি বলেন, আশা করা যায়, বাংলাদেশের নির্বাচন শেষে দিল্লি ও ঢাকা তাদের সম্পর্ক নতুনভাবে সাজানোর পথ খুঁজে নেবে।

নির্বাচনে ভারত ইস্যুটি না থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী আমার দেশকে বলেন, এবারের নির্বাচনে ভারত ইস্যুটি তেমনভাবে আসছে না। বিএনপির পক্ষ থেকে ভারতের ব্যাপারে তেমন কিছু এখনো শুনিনি। জামায়াতের আমির কয়েকটি ইস্যুতে কথা বলেছেন। ফেনী নদীর ওপর নির্মিত সেতুর কথা এখানে উল্লেখ করতে পারি। তিনি বলেন, আসলে দুই দলই চাইছে ক্ষমতায় যেতে । ভারত অখুশি হয়- এমন কিছু বলে তারা ঝুঁকি তৈরি করতে চাচ্ছে না। ভারত একটি বৃহৎ শক্তি-এটা অস্বীকার করার উপাায় নেই। তাদের সঙ্গে আমাদের ডিল করতে হবে। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে-রাজনৈতিক দলগুলোকে এই বার্তা অবশ্যই ভারতকে দিতে হবে। এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে আরো বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদ আমাদের জন্য একটি বড় সমস্যা। জুলাই বিপ্লবের পর এদেশের জনগণ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম ভারতীয় আধিপত্যবাদকে কোনোভাবেই মেনে নেবে না। বিষয়টি আমাদের সবার মনে রাখতে হবে।

বিশিষ্ট ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক শাহাব এনাম খান আমার দেশকে বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে ভারতের আবেদন বা গুরুত্ব আগের মতো নেই। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আছে। বিএনপি-জামায়াত নির্বাচনি প্রচারে ভারত ইস্যুটি না আনলেও ভেতরে ভেতরে তাদের মধ্যে যোগাযোগ আছে। নির্বাচনের পরে ভারতকে ডিল করা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হবে। ভারত চাইবে-সবকিছু তাদের মতো করে হোক। কিন্তু বাস্তবে সেটা সম্ভব নয়। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ককে এমন একটি জায়গায় রেখে যাচ্ছেন, যেখানে বিগত সরকার যা করে গেছে-নতুন সরকারের পক্ষে তা করা কোনোদিনই সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেখিয়ে দিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে কীভাবে দৃঢ়ভাবে ডিল করা যায়। ড. ইউনূসের কর্মকাণ্ডে ১০০ বার হয়তো সমালোচনা করা যাবে, কিন্তু ভারতের সঙ্গে তিনি যেভাবে ডিল করেছেন তার জন্য তাকে স্যালুট জানানো উচিত।

ভারতের পদক্ষেপের ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে এই আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক বলেন, ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ঢাকায় এসে হাতে হাত মিলিয়ে অনেক ভালো ভালো কথা বলে গেছেন। কিন্তু তিনি দিল্লি ফেরার পর অমিত শাহের ছেলে জয় শাহ ক্রিকেট নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কী আচরণটাই না করলেন। এগুলো বিবেচনায় রেখে রাজনৈতিক দলগুলোকে ভারতের সঙ্গে ডিল করতে হবে। নতুন সরকারের জন্য দিল্লিকে ডিল করা সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং হবে। দিল্লি বাংলাদেশের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করাসহ যেকোনো সময় যেকোনো সমস্যা তৈরি করতে পারে। তিনি বলেন, ভারতকে ডিল করার ক্ষেত্রে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তোলা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

সরকারি চাকরিজীবীদের ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারের বাধা কাটতে যাচ্ছে

মাঠের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ভোটযুদ্ধ

ভোটে মুক্তিযুদ্ধ বনাম জুলাই বিপ্লব

রাজধানীতে ধর্মীয় উপাসনালয়ে গিয়ে শান্তি ও ঐক্যের প্রতিশ্রুতি প্রার্থীদের

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রে ফ্যাসিবাদ সমর্থকদের পৃষ্ঠপোষকতা

নির্বাচনের আগেই প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

মামুনের পক্ষে বিএনপির বেশির ভাগ নেতাকর্মী

নতুন সরকারের শপথের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

নির্বাচনি কর্মকর্তাদের গণভোটের প্রচারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

রাজধানীতে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতির বন্যা