হোম > আমার দেশ স্পেশাল > বিশেষ প্রতিবেদন

সরকারে প্রভাবশালী হয়ে উঠছেন প্রতিমন্ত্রীরা

আলফাজ আনাম

ফাইল ছবি

সরকারের ভেতরে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছেন কয়েকজন প্রতিমন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকারের ছয় মাসের মূল্যায়ন ও মন্ত্রিসভার রদবদলে তার প্রতিফলন ঘটেছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ ও জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সরকার গঠনের সময় ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। তখন তাকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ছয় মাস পর একই মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সরকারের আরেকজন প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। গত ১৩ জুন কক্সবাজারে এক সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তাকে পরিচয় করে দিয়েছিলেন সবচেয়ে পাওয়ারফুল প্রতিমন্ত্রী হিসেবে।

তখন তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী, যার কাছে উন্নয়নের জন্য আমরা যাই।’ এই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী ছিলেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তার কিছুটা অস্বস্তিকর সম্পর্ক ছিল বলে তার ঘনিষ্ঠজনদের সূত্রে জানা যায়। এখন এই মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন দলের প্রবীণ নেতা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। তবে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের প্রভাবে কোনো হেরফের হবে না।

এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে সরকারের মধ্যে যথেষ্ট প্রভাবশালী বলে মনে করা হয়। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ১ জুন পদত্যাগ করেন। অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে জানালেও মূল কারণ ছিল প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ। এই বিরোধে জয়ী হন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল। পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের কারণ জানিয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপির উপজাতিবিষয়ক সহসম্পাদক ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মনীষ দেওয়ান ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন। তাতে তিনি জানান, রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নের সুপারিশকে কেন্দ্র করেই পদত্যাগ করতে হয়েছে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে।

ফেসবুক পোস্টে মনীষ দেওয়ান লেখেন, ‘এ মুহূর্তে দেশ ও জাতির প্রয়োজনে সত্যকথনের জরুরি দরকার। দীপেন দেওয়ান তার মন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন শুধু একটি কারণে। তিনি আসন্ন রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেছিলেন আমাকে।’ তিনি লেখেন, ‘পার্বত্য মন্ত্রী (প্রতিমন্ত্রী) ব্যারিস্টার মীর হেলাল চেয়েছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি দীপেন তালুকদার দিপুকে, যিনি জুলাই আন্দোলনে ছয় মাস রাঙামাটি থেকে আত্মগোপনে ছিলেন এবং ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন ধরনের চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও কুখ্যাত আওয়ামী নেতাদের প্রশ্রয় দিয়ে বিতর্কিত হয়েছেন—এটি রাঙামাটিবাসী সকলেই অবগত আছেন।’ মন্ত্রিসভায় রদবদলে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন বান্দরবানের এমপি সাচিং প্রু জেরী।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সরকারের প্রভাবশালীদের একজন ছিলেন। তিনিও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে একই মন্ত্রণালয়ে আগে থেকেই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন শামা ওবায়েদ ইসলাম।

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে যুব আন্দোলন নেতা হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবি

নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থা গঠনে ইরানের কাছে প্রতিবেশীদের বার্তা

সৌদিতে এক সপ্তাহে ১৪২৬০ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

জাবিপ্রবিতে হোস্টেলের সিট দখল নিয়ে দুই সদস্যকে মারধর, বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পাক সেনাপ্রধানের ফোনালাপ, যে কথা হলো

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ কীভাবে আরো বাড়াতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

সুনামগঞ্জে হাউসবোট থেকে পড়ে নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার

জাপানে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প, আহত ২৩

ইরান-সংশ্লিষ্ট হ্যাকারদের হামলায় বন্ধ যুক্তরাজ্যের বিদ্যুৎকেন্দ্র