হোম > আমার দেশ স্পেশাল > বিশেষ প্রতিবেদন

নিম্নমানের যন্ত্রপাতির রামপাল চালাতে প্রকৌশলীদের লড়াই

এম এ নোমান

আমার দেশ গ্রাফিক্স

তিন বছরের মধ্যেই নড়বড়ে হয়ে পড়েছে চরম বিতর্কিত কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিভিন্ন কারণে গত এক বছরে ৩০ বার বন্ধ হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ মালিকানার ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এ তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি। শুধু কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয় ২৭ বার। ভারতীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লুটপাটের প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত ২০ হাজার কোটি টাকার এ কেন্দ্রটিকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন দেশীয় প্রকৌশলীরা।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযান ও সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে উচ্চ বেতনের ভারতীয় প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা রাতের আঁধারে পালিয়ে যাওয়ার পর দায়িত্ব নেন দেশীয় প্রকৌশলীরা। ভারতের স্বার্থে তৈরি এ প্রকল্পের নামে সে দেশের এক্সিম ব্যাংক থেকে উচ্চ সুদে নেওয়া ১৬০ কোটি ডলার ঋণের বোঝা এখন টানতে হচ্ছে সরকারকে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বিভিন্ন কারিগরি ত্রুটি নিয়ে ঢাকার পক্ষ থেকে এরই মধ্যে দিল্লিকে জানানো হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র আমার দেশকে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের যন্ত্রপাতিগুলো এতটাই নিম্নমানের যে, তিন বছরের মাথায় এসে এগুলো ক্ষয়ে যাচ্ছে। মেরামতের কিছুদিনের মধ্যেই এটি আবারও বিকল হয়ে পড়ছে। প্রতিবার মেরামতে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

কর্মকর্তারা জানান, এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ভারতের রাজনৈতিক অভিলাষ পূরণের প্রকল্প। এটির ৫০ শতাংশের মালিক বাংলাদেশ হলেও স্থাপন, পরিচালনা ও বিদ্যুৎ বিক্রি সবকিছুরই একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছিল ভারতীয়দের হাতে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের নামে ভারতের এক্সিম ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের বোঝা এখন বাংলাদেশের কাঁধে।

এক কর্মকর্তা জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত একজন ভারতীয় নাগরিক ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বেতন নিয়েছেন। অথচ তার সমকক্ষ বাংলাদেশি প্রকৌশলীর বেতন এক লাখ টাকারও কম। এছাড়াও নির্মাণকালে যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও নদী ড্রেজিং থেকে সব কাজই এককভাবে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান করেছে। পশুর নদীর রামপাল অংশে ড্রেজিংয়ের নামে ভারতীয় একটি কোম্পানি নিয়ে গেছে ১১৯ কোটি টাকা। দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী, এসব কাজে বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানের অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল না।

বিদ্যুৎ বিভাগের অপর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ থেকে শুরু করে ভারতীয় কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের বেতনভাতার নামে সীমাহীন দুর্নীতি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুদক হাইকোর্টের নির্দেশে অনুসন্ধান ও তদন্ত শুরু করলে গত ২৪ জানুয়ারি মধ্যরাতে ভারতে ৯ কর্মকর্তার পলায়নের পর সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে দেশীয় প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের দিয়ে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই থেকে এটি থেমে থেমে চলছে বলেও জানান তারা। এর আগে নির্মাণ পর্যায়ে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুই হাজারের বেশি ভারতীয় নাগরিক উচ্চ বেতনে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করেছেন।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ভারতীয়দের পলায়নের পর সরকার দেশীয় কিছু প্রকৌশলীকে এর দায়িত্ব দেওয়ায় এটি ধীরে ধীরে সচল হয়েছে। গত এক মাসে ত্রুটিও তেমন একটা দেখা যায়নি। ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৮০০-৯০০ মেগাওয়াট উৎপাদন হচ্ছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

সরকারের নীতিনির্ধারকদের মূল্যায়নÑ এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের লাইফটাইম (মেয়াদকাল) ২০ বছর হলেও দুই বছরের মাথায় এটিতে মারাত্মক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের কয়েক মাস আগে চালু হওয়া এ কেন্দ্রের কোনো যন্ত্রপাতিই মানসম্মত নয়। এটির ত্রুটি-বিচ্যুতি ও বাংলাদেশের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে ঢাকার পক্ষ থেকে দিল্লিকে জানানো হয়েছে বলে আমার দেশকে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিদর্শন করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবেশ ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাংলাদেশের জন্য উপযোগী নয়। এটি নির্মাণের আগেই সরকারকে পরিবেশবিদ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন সতর্ক করেছিল। পতিত আওয়ামী লীগ সরকার দেশের স্বার্থে নয়, বরং রাজনৈতিক স্বার্থে ও অলিগার্ক শ্রেণিকে সুবিধা করে দিতেই এ মেগা প্রকল্পটি নিয়েছিল। এটি এখন দেশের জন্য ‘মরণ ফাঁদ’ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ২০২৩ সালের শেষদিকে এবং ২০২৪ সালের শুরুর দিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হওয়ার দেড় বছরের মাথায় ২০২৫ সালের ১ জুলাই প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির। সেই সময় থেকে কিছুদিন পরপরই এটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সবশেষ গত ২৭ জুন বন্ধ হয়ে আবার ৩০ জুন চালু হয় এটি।

ভারততুষ্টির প্রকল্প, লুটপাটেও ভারত

বিদ্যুৎ বিভাগের নথি থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জাতীয় তাপবিদ্যুৎ করপোরেশন (এনটিপিসি) যৌথভাবে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ২০১০ সালের আগস্টে সমঝোতা স্বাক্ষর করে। ‘বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি’ নামে কোম্পানি গঠন করে ‘রামপাল কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট’ সম্পর্কিত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি।

২০১১ সালের ২৩ আগস্ট বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের সংলগ্ন পশুর নদীর তীরে রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে ১৮৩৪ একর জমি চিহ্নিত করে তা অধিগ্রহণ কার্যক্রম শুরু করে সরকার। পরিবেশ অধিদপ্তর পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা (এনভায়রনমেন্টাল ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট) অনুমোদন করে ২০১৩ সালের ৫ আগস্ট। এই অনুমোদনের আগেই চুক্তি সই এবং জমি অধিগ্রহণ পরিবেশ আইনের মৌলিক বিধানের স্পষ্ট লংঘন বলে ওই সময় তুমুল আন্দোলন গড়ে তোলেন পরিবেশবিদরা।

ভারতের সঙ্গে করা এ সংক্রান্ত চুক্তিটিকে বিতর্কিত উল্লেখ করে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের অংশীদারত্ব ৫০: ৫০ হলেও কেন্দ্র স্থাপন ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিল ভারতের হাতে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ভারতের এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হয়। প্রকল্পের মাটি ভরাট থেকে শুরু করে সব কার্যক্রম করে ভারত সরকার। লোকবলও নেওয়া হয় ভারত থেকে। মোংলা বন্দর জেটি থেকে রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার নৌপথটিতে ‘ড্রেজিং করপোরেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠান নামমাত্র কাজ করে ১১৯ কোটি টাকা তুলে নেয়।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণপর্যায়ে প্রায় দুই হাজার ভারতীয় নাগরিক কাজ করেছেন। সীমিতসংখ্যক বাংলাদেশি প্রকৌশলীও কাজের সুযোগ পেয়েছিলেন প্রকল্পটিতে।

নির্মাণকালে সরেজমিনে বিদ্যুৎকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রে অবস্থানকালীন ভারতীয় নাগরিকদের খাবার-দাবার থেকে শুরু করে তাদের ব্যবহারের যাবতীয় সরঞ্জমাদিও ভারতীয় ঠিকাদার সরবরাহ করতেন। হাজার হাজার লোকের এ বিশাল কর্মযজ্ঞের মধ্যে প্রকল্পের আশপাশে একটি টং দোকানও গড়ে তুলতে পারেনি কোনো বাংলাদেশি।

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রকল্প এলাকার এক অধিবাসী জানান, এ প্রকল্পের জন্য আমরা জায়গা দিয়েছি। শুনেছি ঋণের টাকাও শোধ করতে হবে বাংলাদেশকেই। অথচ এখানে কর্মরত হাজার হাজার লোকের মধ্যে আমরা এক আঁটি শাকও বিক্রি করতে পারছি না। চাল, ডাল, তেল, লবণ ও শাক-সবজিসহ সবকিছুই এখানে ভারত থেকে সরবরাহ করে তাদের প্রতিষ্ঠান। আমাদের কাছ থেকে একটি সুঁইও তারা কেনেনি। রাস্তার পাশে একজন একটি টং দোকান দিলেও বেচাবিক্রি না হওয়ায় সেটাও বন্ধ করে দিতে হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রকল্প এলাকা দেখে মনে হয় যেন এটি এক টুকরো ভারত।

হাইকোর্টে রিট ও ভারতীয়দের পলায়ন

চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের মধ্যে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনে যাওয়ার কথা থাকলেও মানহীন যন্ত্রপাতির কারণে শুরুতেই হোঁচট খায় এটি। ২০২৪ সালের শুরুর দিকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে আসার কয়েকদিনের মধ্যে এটি বন্ধ হয়ে যায়। ঠিকঠাক করে চালু করার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের সঙ্গে সঙ্গে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ভারতীয় নাগরিকরাও পালিয়ে যান। তাদের পলায়নের পর ভারতীয় নাগরিকদের উচ্চ বেতনের বিষয়টি সামনে আসে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উচ্চ বেতনের ৯ জন ভারতীয় কর্মকর্তা এ বিদ্যুৎকেন্দ্রে কাজ করতেন। চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি কাউকে না জানিয়ে তারা সবাই পালিয়ে যান। তারা এনটিপিসি থেকে প্রেষণে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। তাদের পলায়নের পেছনে উচ্চ ও অতিরিক্ত বেতন-ভাতার বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়াটা মূল কারণ বলে জানান বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা।

এক কর্মকর্তা জানান, ভারতীয় নাগরিকদের উচ্চ বেতন ও অর্থ লোপাটের বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দুদক থেকে উদ্যোগ নেওয়ার পর তারা সবাই পালিয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিটও করা হয়। এতে বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভারতীয়দের বাড়তি বেতন-সুবিধায় অসম চুক্তিটি খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানের নির্দেশনা চাওয়া হয়। এতে আরো উল্লেখ করা হয়, একজন বাংলাদেশি প্রকৌশলীর বেতনের চেয়ে ভারতীয় প্রকৌশলী বেতন নিয়েছেন ২৫ গুণ।

আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে দুদকের বাগেরহাট অফিস রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে এই অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা। শুধু বেতন-ভাতাই নয়, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণেও ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দুর্নীতি ও ভারতের আধিপত্যের প্রতীক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি করাই হয়েছে রাজনৈতিকভাবে ভারতকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য। এটির সঙ্গে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কোনো সম্পর্ক নেই। এর যাবতীয় কাজ করেছে ভারত। যে পরিমাণ টাকা তারা ঋণ দিয়েছে, দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে তারা শুরুতেই সেটি তুলে নিয়ে গেছে। এখন বোঝাটা আমাদের ঘাড়ের ওপর।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেছেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কোনোভাবেই টেকসই হতে পারে না। এটি শুধু আমরাই না, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, ইউনেসকো এবং বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন জানিয়েছিল। যে প্রকল্প ভারত তাদের দেশে করতে পারেনি, সেটাই আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। এখন বিশাল ঋণের বোঝা আমাদের জনগণের কাঁধে। এটি একটি অলিগার্ক শ্রেণির কর্মকাণ্ড। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিরা এ দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, পতিত আওয়ামী লীগ সরকার দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে দুর্নীতির খাত হিসেবে নিয়েছিল। এর দায় এসে এখন আমাদের ঘাড়ে পড়েছে। তিনি আরো বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে সুষ্ঠু সুরাহা দরকার। আমরা এ বিষয়ে ভারতকে জানিয়েছি।

চালু রাখার চেষ্টায় দেশীয় প্রকৌশলীরা

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের মুখপাত্র আনোয়ারুল আজিম আমার দেশকে বলেন, ভারতীয় কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের পলায়নের পর সরকার দেশের কয়েকজন প্রকৌশলীকে এটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দিয়েছে। বর্তমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যেও তারা এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে সচল রাখতে পেরেছেন। এটি একটি বড় সংবাদ। এখন এ কেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকে প্রতিদিন ৮০০-৯০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। নিজস্ব আয় থেকে ভারতের এক্সিম ব্যাংকের ঋণের কিস্তিও পরিশোধ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বাথরুমে হঠাৎ অসুস্থতা এড়াতে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়তে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৫৭ রান

অনলাইনের ভুয়া পোস্টে বিশ্বাস করে যেভাবে বিপদ ডেকে আনলেন লিবিয়ার অভিবাসীরা

কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক ডেপুটি স্পিকারের লাশ উদ্ধার

মিসরে রাবা গণহত্যার ১৩ বছর, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দাবি পরিবারের

বাংলাদেশের বুকে এক টুকরো ভারত: রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানায় বন্যায় ৫ জনের মৃত্যু

তারেক রহমানকে কটূক্তি, ছেলের বদলে বাবাকে শাসালেন যুবদল নেতা

মুখ দিয়ে লিখে দাখিল জয় রিয়াদের