হোম > আমার দেশ স্পেশাল > বিশেষ প্রতিবেদন

গ্যাস উত্তোলনে অনীহা ছিল আওয়ামী সরকারের

জিয়াউল হক মিজান

আমার দেশ গ্রাফিক্স

মাটির নিচে থাকা প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে চরম অনীহা দেখিয়েছে পলাতক শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। দেশীয় বিশেষজ্ঞদের বসিয়ে রেখে দ্বিগুণ ব্যয়ে গ্যাসকূপ খনন করানো হয় রাশিয়ান কোম্পানি গ্যাজপ্রমকে দিয়ে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধান না করে তখনকার সরকার মনোযোগ দিয়েছিল আমদানিতে।

বিতর্কিত ‘বিশেষ বিধান আইন, ২০১০’ প্রণয়ন করে চালানো হয় নজিরবিহীন লুটপাট। রেন্টাল ও কুইক রেন্টালের নামে বিদেশে পাচার করা হয় হাজার হাজার কোটি টাকা। ফলস্বরূপ বর্তমানে দেশের গ্যাস-বিদ্যুৎ খাত চরম সংকটকাল অতিক্রম করছে।

মূলত ভারতের সঙ্গে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি দেশীয় বিদ্যুতের নিয়ন্ত্রণ ভারতীয়দের হাতে তুলে দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলের শেষ ১০ বছরে (২০১৫-২০২৪) সরকারি ৩টি গ্যাস উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান (বাপেক্স, বিজিএফসিএল ও এসজিএফএল) এবং চুক্তিভিত্তিক বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশব্যাপী সর্বমোট ৩৯টি নতুন গ্যাসকূপ খনন করা হয়। এ জন্য খরচ করা হয় প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। অথচ জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ১০ বছরে ১৫০ থেকে ২০০টি গ্যাসকূপ খননের প্রয়োজনীয়তা ছিল বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। যদিও বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়ে পেট্রোবাংলার মাধ্যমে প্রথম ধাপে ১০০টি কূপ খনন প্রকল্প হাতে নেয়। এর মধ্যে ৬৯টি নতুন অনুসন্ধান কূপ এবং ৩১টি পুরোনো কূপের সংস্কার কাজ। এ জন্য প্রাথমিকভাবে ১৯ হাজার ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব চূড়ান্ত করা হয়।

পরবর্তী সময়ে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ঘাটতি মেটাতে এবং আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরতা কমাতে এই পরিকল্পনাকে বাড়িয়ে ১৫০টি কূপে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মোট ব্যয় ২৫ থেকে ২৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা আভাস দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে দীর্ঘ মেয়াদে পঙ্গু করে ভারতের ওপর আমদানিনির্ভরতা তৈরি করতেই বিগত শেখ হাসিনা সরকার দেশীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে চরম অনীহা দেখিয়েছিল। ফলে তৎকালীন সরকারের ভুল ও একতরফা জ্বালানি নীতির খেসারত দিতে হচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষ ও অর্থনীতিকে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, শেখ হাসিনা সরকার যদি ভারতের দিকে অতিরিক্ত না ঝুঁকে এবং এলএনজি আমদানিতে অতিরিক্ত আগ্রহ না দেখিয়ে দেশীয় গ্যাস উৎপাদনে মনোযোগ দিতো, তাহলে আজ বাংলাদেশকে এই নজিরবিহীন বিদ্যুৎ বিপর্যয় ও ডলার সংকটে পড়তে হতো না।

বিশেষ করে ২০১৪ সালে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা জয়ের পর গত এক যুগেও গভীর সমুদ্রে ব্লু-ইকোনমি বা তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ প্রতিবেশী মিয়ানমার ও ভারত একই সাগরে ব্লক তৈরি করে সফলভাবে গ্যাস উত্তোলন করছে। বিপরীতে নিজস্ব সাশ্রয়ী গ্যাস উত্তোলনের চেয়ে চড়া মূল্যে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি এবং ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পেছনেই ফ্যাসিবাদী সরকারের ছিল বেশি আগ্রহ ।

ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে করা চুক্তির ক্ষেত্রে কঠিন শর্তে ক্যাপাসিটি চার্জ প্রদান, কয়লার অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণ এবং চুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর করের বোঝা চাপানোর মতো বিষয়গুলো হাসিনা সরকার বিবেচনাতেই নেয়নি বলে অভিযোগ বিশেষজ্ঞদের। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় আদানি পাওয়ারের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের খরচ ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। আবার তুলনামূলক নিম্নমানের কয়লা ব্যবহার করে অস্ট্রেলীয় উচ্চমানের কয়লার দাম নিচ্ছে কোম্পানিটি। এছাড়া আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নিজেদের কর পরিশোধ করার কথা থাকলেও, আদানির চুক্তিতে ভারতীয় করের অংশ চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর।

বিতর্কিত বিশেষ আইন

জানা যায়, দেশের জ্বালানি খাতকে ধ্বংস করতে দায়মুক্তি বা কালো আইন প্রণয়ন করেছিল শেখ হাসিনার সরকার। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার নামে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিতর্কিত ‘বিশেষ বিধান আইন-২০১০’ প্রণয়ন করে দেশকে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ঠেলে দেয়। এই আইনের আওতায় সরকার কোনো ধরনের উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা বা আন্তর্জাতিক দরপত্র ছাড়াই সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো কোম্পানিকে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ বা এলএনজি আমদানির কাজ দেওয়ার একচেটিয়া ক্ষমতা পায়।

আইনের ৯ নম্বর ধারায় বলা হয়, এই আইনের অধীনে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত, চুক্তি বা কাজের বৈধতা নিয়ে দেশের কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা বা আইনি চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। এই আইনের সুযোগ নিয়ে আদানিসহ দেশি-বিদেশি সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি করা হয়। ফলে গত ১৫ বছরে অলস বসে থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ক্যাপাসিটি চার্জ বা ভর্তুকি দিতে হয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ।

চার টাকার বিদ্যুৎ ১৬ টাকায়

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) তথ্যানুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তাতে প্রতি ইউনিটের খরচ পড়ে ৪ টাকা থেকে ৪.৫০ টাকা। অথচ ভারতের আদানি গ্রুপের কাছ থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের গড় খরচ প্রতি ইউনিট ১৪.৮৭ টাকা থেকে ১৬ টাকা। আদানির বিদ্যুতের এ দাম বাংলাদেশের গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচের তুলনায় অন্তত চারগুণ বেশি। শুধু তা-ই নয়, ভারত থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় আদানির বিদ্যুতের দাম ৫৯ শতাংশ বেশি।

ভারতের সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়ার প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১০.২২ টাকা, পিটিসি ইন্ডিয়ার প্রতি ইউনিটের দাম ১০.২০ টাকা এবং এনভিভিএনের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭.৫৮ টাকা। যদিও আমদানি করা কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী বাংলাদেশের মাতারবাড়ী, পায়রা বা রামপালের মতো বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদিত বিদ্যুতের গড় খরচ ৮ টাকা থেকে ১৩.৫৭ টাকা।

দালালি ১৩২ কোটি!

জানা যায়, রাশিয়ান কোম্পানি গ্যাজপ্রমের প্রতিকূপ খননের খরচ দেশীয় কোম্পানি বাপেক্সের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বা তারও বেশি ছিল। বাপেক্স নিজস্ব সক্ষমতায় দেশের মাটিতে একটি গ্যাসকূপ খনন করতে গড়ে ৬৫ থেকে ৮০ কোটি টাকা ব্যয় করে। অথচ একই ধরনের উন্নয়ন কূপ খননের জন্য গ্যাজপ্রমকে প্রতি কূপে ১৪০ থেকে ১৮০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ভোলার তিনটি কূপ খননের জন্য গ্যাজপ্রমকে দেওয়া হয়েছিল ৫৪০ কোটি টাকা। অথচ গ্যাজপ্রমকে কাজ দেওয়া হলেও, তারা মূলত মধ্যস্বত্বভোগী বা ব্রোকার হিসেবে কাজ করেছে।

গ্যাজপ্রম নিজে সরাসরি কূপ খনন না করে ‘ইরিয়ল’ নামক একটি থার্ড-পার্টি বা তৃতীয় পক্ষ সাব-কন্ট্রাক্টর কোম্পানিকে দিয়ে কাজ করাতো। তদন্তে দেখা গেছে, ইরিয়ল কোম্পানি প্রতিকূপ ১৩৬ কোটি টাকায় খনন করার প্রস্তাব দিলেও, গ্যাজপ্রম মাঝখান থেকে প্রতি কূপে ১৮০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। ফলে শুধু ভোলার তিনটি কূপ থেকেই সরকারের অতিরিক্ত ১৩২ কোটি টাকা লোকসান হয়। এ টাকা থেকে সরকারের সর্বোচ্চ মহলও ভাগ পেতো বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

পঙ্গু করা হয় বাপেক্সকে

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ১৫ বছরে তেল গ্যাস অনুসন্ধানকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে অনেকটা পঙ্গু করে দেওয়া হয়। দেশীয় বিশেষজ্ঞদের বসিয়ে রেখে লুটপাটের উদ্দেশ্যে বিনা টেন্ডারে কাজ দেওয়া হয় বিদেশি কোম্পানিকে। ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি গ্যাজপ্রমকে দফায় দফায় মোট ২০টিরও বেশি কূপ খননের কাজ দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের অন্যতম বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত। গ্যাজপ্রমকে এই কাজগুলো দেওয়া হয়েছিল ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ আইন-২০১০’-এর আওতায়। এই আইনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দরপত্র ডাকার নিয়ম সম্পূর্ণ লঙ্ঘন করে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে গ্যাজপ্রমকে কাজ দেওয়া হয়।

বাপেক্স সূত্রে জানা যায়, অগভীর তেল-গ্যাস কাঠামোতে উচ্চ মূল্যে কূপ খনন করার পরও গ্যাজপ্রমের কারিগরি ত্রুটির কারণে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি লোকসানের মুখে পড়ে। গ্যাজপ্রমের খনন করা প্রথম ১৭টি কূপের মধ্যে ৫টি কূপ চালু হওয়ার মাত্র কয়েকদিনের মাথায় বন্ধ হয়ে যায়। কূপের তলদেশ থেকে গ্যাসের পরিবর্তে অতিরিক্ত পানি ও বালু উঠতে শুরু করায় গ্যাস উত্তোলন পুরোপুরি স্থগিত করতে হয়। বিশেষজ্ঞরা একে রাষ্ট্রীয় অর্থের চরম অপচয় এবং ত্রুটিপূর্ণ ডিজাইনের ফল বলে উল্লেখ করেছেন।

বিশেষজ্ঞ মতামত

গত ১৭ বছরে জ্বালানিসমৃদ্ধ বাংলাদেশকে আমদানিনির্ভর করা হয়েছে মন্তব্য করে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. বদরুল ইমাম আমার দেশকে বলেন, ভৌগোলিকভাবেই বাংলাদেশ খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ একটি দেশ। আমাদের মাটির নিচে প্রচুর পরিমাণ তেল-গ্যাস মজুত আছে। কিন্তু ফ্যাসিবাদী সরকার সেগুলো অনুসন্ধান এবং উত্তোলন না করে আমদানির দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছে। দেশীয় বিজ্ঞানীদের বসিয়ে রেখে তেল-গ্যাস আমদানি করে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা নষ্ট করেছে।

তাদের উদ্যোগ যে ভুল ছিল তা যতবার বিশ্ববাজারে সংকট দেখা দিয়েছে ততবারই প্রমাণিত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আর কখনো এমন জটিল পরিস্থিতিতে পড়তে না চাইলে এখনই তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। সমতলে অনুসন্ধানে দেশি বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, গভীর সমুদ্রে যেহেতু আমাদের তেমন অভিজ্ঞতা নেই, সেখানে অনুসন্ধানের জন্য বিদেশিদের কাজে লাগানো যেতে পারে।

আন্তর্জাতিক থিংকট্যাংক প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি, ইকোনমি অ্যান্ড ফিন্যান্সের (আইইইএফএ) লিড এনার্জি অ্যানালিস্ট ড. শফিকুল আলম আমার দেশকে বলেন, গত বছরগুলোয় সরকার যদি গ্যাস উত্তোলনে মনোযোগ দিতো, তাহলে আমাদেরকে এখন এলএনজি আমদানির জন্য বিশ্বের দেশে দেশে ঘুরতে হতো না।

আমদানিতে অধিক মনোযোগ দেওয়ায় দেশীয় উৎপাদনে অনাগ্রহ বেড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তখন অর্থনীতি মোটামুটি ভালো থাকায় ডলার সংকট প্রকট হয়নি। সরকার আমদানির সহজ পথে হেঁটেছে। বিদ্যুৎ নিরাপত্তার ওপর জোর দেয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার এক্ষেত্রে চরম উদাসীনতা দেখিয়েছে। ফলে এলএনজি আমদানিতে এখনো বিপুল পরিমাণ কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে। এ পরিস্থিতি উত্তরণে তেল-গ্যাস উত্তোলন ও অনুসন্ধানে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

পাকিস্তানকে কোচিং করানোর ইচ্ছা থাকলেও ‘হট সিটে’ ভয় মুশতাকের

যুদ্ধের অর্থ জোগাতে পর্নোগ্রাফি বৈধ করতে চায় ইউক্রেন

চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্রের মুখে মোটরসাইকেল ছিনতাই

নেপালে বন্যার ধ্বংসস্তূপে ১০ দিন পরও জীবিত ৬৪ বছরের নারী

যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির বোঝা পুরো বিশ্বের ওপর চাপাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: বাঘাই

শাস্তি পাওয়া কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে আনার সংস্কৃতি কী বার্তা দিচ্ছে

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় পরিবারহারা শিশুদের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

ধীরগতির সংস্কারে নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি কাজ

ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলার এআই নির্মিত ছবি পোস্ট করলেন ট্রাম্প

ডিজেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন কৃষকরা