শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাতে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালি কলোনিপাড়ায় বিকেএসপির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ধর্ষণকারীদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে ওই ছাত্রীর মামা জুয়েল (২৫) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় ঝিকরগাছা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।
বিকেএসপির অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্রী বলেন, আমি বেনেয়ালি এফজেইউবি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির প্রথম সাময়িক পরীক্ষা দিতে বিকেএসপি থেকে বাসায় এসেছি। শুক্রবার খেলা শেষে রাত ৮টায় বাসে গদখালি কলোনি পাড়ায় আসি। এ সময় কলোনি পাড়ার আলমগীরের ছেলে বিএনপি নেতা আল আমিন আমার হাত ধরে জোরপূর্বক পাশের বাগানে নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় আমি আলামিনের হাত থেকে ছুটে গিয়ে ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে ফোন করি। নির্বাহী অফিসার বলেন তুমি ট্রিপল নাইনে ফোন করো। এরপর ট্রিপল নাইনে ফোন করলে ঝিকরগাছা থানার পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে।
অন্যদিকে খবর পেয়ে আমার মামা কলোনি পাড়ার মৃত হযরত আলীর ছেলে জুয়েল (২৫) তাদের প্রতিরোধ করতে গেলে হামলা চালায়। মামা গুরুতর আহত হয়ে ঝিকরগাছা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
ওই ছাত্রী জানান, এক মাস আগে আলমগীরের ছেলে বিএনপি নেতা বাদশা ও আল আমিন তার মামাকে মারপিট করেছিল। তখন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অভিযোগ করায় প্রতিশোধ নিতে আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, আগের বিষয়টি নিষ্পত্তি হলে আজ এ ঘটনা ঘটতো না।
ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাসান সামাদ নিপুন বলেন, আমি ঝিকরগাছা থানার ওসিকে বলেছি, যে অন্যায় করবে তাকে শাস্তি পেতেই হবে।
শুক্রবার রাতে ওসি আমার দেশকে জানান, মামলার প্রস্তুতি চলছে।