হামের রোগীর সঠিক হিসাব দিচ্ছে না সিভিল সার্জন
কুমিল্লায় হাম আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুদের পাশাপাশি বয়স্করাও এ রোগের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন।হামের রোগীদের সঠিক হিসাব দিতে গড়িমসি করছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ পরিচালক এবং কুমিল্লার সিভিল সার্জন ।
রোবাবার সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ‘হাম আইসোলেশন’ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শিশুর মৃত্যু বলে জানানো হয়। জেলা সিভিল সার্জনের সর্বশেষ তথ্যে বিষয়টি জানানো হয়। ওই তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
মারা যাওয়া আট মাস বয়সী শিশু হোসাইন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ভেলাচর এলাকার শাহ পরানের ছেলে।
এদিকে শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মিয়া মনজুর আহমেদ বলেন, “গত ১৪ এপ্রিল রাতে হাম-রুবেলার উপসর্গ ও জ্বর, কাশি এবং শরীরে প্রচণ্ড র্যাশ নিয়ে শিশু হোসাইনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়। সেখানে সে মারা যায়।”
হোসাইনসহ কুমিল্লা জেলায় এখন পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে পাঁচ শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে দুজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং বাকিরা কুমিল্লায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে বলে জানান তিনি।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে হামে আক্রান্ত ১০৬ শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে । এখনো পর্যন্ত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৩৮৮ জন । গত ২৪ ঘন্টায় নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ২২ জন । ছাড়পত্র নিয়েছে ৩৮ জন রোগী।
এসব বিষয়ে জানতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি ।
কুমিল্লার গণমাধ্যম কর্মীদের অভিযোগ কখনোই ফোনে পাওয়া যায়নি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের পরিচালককে ।
কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডাক্তার আলী নূর মোহাম্মদ বশির দৈনিক আমার দেশকে জানান, আমরা হাম রোগীদের হিসাব বিকেলে পাই । পাওয়া মাত্রই আমরা আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপলোড দিয়ে থাকি ।
এমই