জামালপুরের ইসলামপুরে বিএনপির দুই প্রভাবশালী নেতা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি সুলতান মাহমুদ বাবু এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাবের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় এমপির গাড়িসহ তিনটি গাড়ি ও কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা পরিষদ ডাকবাংলো প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। যদিও এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে সংঘর্ষের পর পুরো ইসলামপুরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বেশ কিছুদিন ধরেই বিএনপির এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাবের মধ্যে সাংগঠনিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় উভয় নেতা ডাকবাংলোর দ্বিতীয় তলায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় নিচে থাকা দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু ও নুরুল ইসলাম নবাবের ব্যবহৃত গাড়িসহ মোট তিনটি গাড়ি এবং কয়েকটি মোটরসাইকেলে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। সংঘর্ষে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দ্রুত দোকানপাট বন্ধ করে দেন।
খবর পেয়ে ইসলামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, তিনটি গাড়ি এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তবে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা বা আটক হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
রাতে বিএনপির এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু ও সাধারন সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাব গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা দেখা গেছে। যেকোন মুহুর্তে ফের সংঘর্ষের আশংকা করছে স্থানীয়রা।
এমই