সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মফিজুর রহমানের অপসারণ দাবির মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভের একপর্যায়ে কর্মসূচিতে হামলা চালান বিএনপি নেতারা। এতে আহত হন ২০ জন।
রোববার সকালে উপজেলার কারেন্টের বাজার এলাকার বোয়াল চত্বরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাবাসীর ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে বক্তারা জানান, ইউএনও মফিজুর রহমান বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পর্যটন খাত ধ্বংস করে দিয়েছেন। বিভিন্ন অনিয়ম, স্বেচ্ছাচার ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।
মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল করে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে যাওয়ার পথে মাল্টিপারপাস সেন্টারের সামনে এলে বাধা দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান তারা। পরে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া হয়। এ সময় আন্দোলনরত ২০ জন আহত হন।
বিশ্বম্ভপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রাজু আহমেদ বলেন, ইউওনওর বিরুদ্ধে যারা মানববন্ধন করেছে তারা আওয়ামী লীগের দোসর। মানববন্ধন করে তারা বিপ্লবী সাজতে চায়।
হামলা প্রসঙ্গে রাজু আহমেদ বলেন, বিএনপি মানববন্ধন করেছে উপজেলা সদরে, ইউওনওর বিরুদ্ধে মানববন্ধন হয়েছে কারেন্টের বাজারে। মানববন্ধন শেষে ইউএনওর বিরুদ্ধের লোকজন তার অফিসে হামলা চালাতে চেয়েছিল। হামলা ঠেকাতে গিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মফিজুর রহমান তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, মাল্টিপারপাস সেন্টার লিজ দিতে দরপত্র আহ্বান করেছি। সর্বোচ্চ দরদাতা সেন্টারের লিজ পেয়েছেন। আলমগীর নামে এক ব্যক্তি লিজ না পেয়ে আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন। এসব সহ্য করতে না পেরে এলাকার কিছু লোক আমার পক্ষ নেন।