চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সুপারিশের ভিত্তিতে ৬টি স্টক ব্রোকারেজ হাউসকে কমোডিটি ডেরিভেটিভসের ব্রোকার হিসেবে নিবন্ধন সনদ ইস্যুর বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে ‘লেটার অব ইনটেন্ট’ ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
নিবন্ধন সনদ ও এলওআই অনুমোদন পাওয়া ৬টি ব্রোকারেজ হাউস হলো: সোহেল সিকিউরিটিজ, আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ, এনএলআই সিকিউরিটিজ, বি রিচ, পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ ও ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড।
বিএসইসি জানায়, উক্ত ৬টি স্টক ব্রোকারেজ কোম্পানির আবেদন এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই)-এর আনুষ্ঠানিক সুপারিশের প্রেক্ষিতে বিস্তারিত পর্যালোচনা শেষে কমিশন সর্বসম্মতিক্রমে এ নীতিগত অনুমোদন ও লেটার অব ইনটেন্ট ইস্যুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
সিএসই সূত্রে জানা গেছে, বিএসইসির নিবন্ধন পাওয়া এসব ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে সিএসইর কাছ থেকে এনরোলমেন্ট নিতে হবে। এ জন্য প্রত্যেক ব্রোকারকে ২ কোটি টাকা জমা দিতে হবে। এছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা করতে প্রতিবছর নির্ধারিত হারে নবায়ন ফি দিতে হবে। নিবন্ধনের জন্য আরও তিনিটি ব্রোকারেজ হাউসের জন্য আবেদন জমা দেওয়া হলেও সেগুলোর অনুমোদন পাওয়া যায়নি। সেগুলো হলো-লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ, রয়েল সিকিউরিটজ ও জিরো ওয়ান লিমিটেড।
ব্রোকারেজ হাউসের নিবন্ধন সনদ ইস্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম মজুমদার আমার দেশকে বলেন, ব্রোকারেজ হাউসের নিবন্ধন সনদ ইস্যুর মাধ্যমে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর যে জট তৈরি হয়েছে তা খুলতে শুরু করেছে। তবে কমোডিটি মার্কেট চালুতে কমপক্ষে ৩০টি ব্রোকারের প্রয়োজন হবে। কমোডিটি মার্কেটকে ইফিসিয়েন্ট ও ভাইব্র্যান্ট করতে হলে শুরুতেই বড় আকারে করতে হবে। কিন্তু স্বল্পসংখ্যক ব্রোকার দিয়ে এটা করা সম্ভব হবে না। গভীরতা ও পর্যাপ্ত তারল্য না থাকলে মার্কেটের প্রতি কারও আগ্রহ থাকবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।