হোম > বাণিজ্য

ব্যাংকে কোটিপতিদের অ্যাকাউন্ট ১ লাখ ২৮ হাজার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে দেশে কোটি টাকার ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। তবে হিসাব বাড়লেও এ ধরনের অ্যাকাউন্টে জমা থাকা মোট আমানত উল্টো কমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, তিন মাসে নতুন করে ৭৩৪টি কোটি টাকার হিসাব যুক্ত হলেও এসব হিসাব থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে ৫ হাজার ৯২১ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক কোটি টাকার হিসাবের মোট সংখ্যা জানালেও এগুলোর মালিক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সংস্থা—কতটি সে তথ্য প্রকাশ করে না। আবার একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে। তাই প্রকৃতপক্ষে কতজন গ্রাহক কোটি টাকা জমা রেখেছেন, সেটিও জানা যায় না।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পট–পরিবর্তনের পর গত সরকারের সময় অনেক ব্যবসায়ী তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের রাখা টাকা তুলে নেওয়ায় কোটি টাকার অ্যাকাউন্টে আমানত কমেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর শেষে কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০টি। এসব হিসাবে মোট আমানতের পরিমাণ ৮ লাখ ২ হাজার ১৫৬ কোটি টাকা। এর আগের জুন শেষে হিসাব ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৩৬টি, এবং এ হিসাবগুলোতে জমা ছিল ৮ লাখ ৮ হাজার ৭৭ কোটি টাকা।

একই সময়ে দেশে মোট ব্যাংক হিসাবের সংখ্যাও বেড়েছে। সেপ্টেম্বর শেষে দেশে মোট হিসাব হয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টি, যা জুন শেষে ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি। তিন মাসে হিসাব বেড়েছে ৫৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৯টি।

সেপ্টেম্বর শেষে এসব সব ধরনের হিসাবের বিপরীতে মোট আমানত দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা। জুন শেষে যা ছিল ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ তিন মাসে সামগ্রিক আমানত বেড়েছে ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা।

আজ বন্ধ থাকবে ব্যাংকের লেনদেন

বেসরকারি ঋণে লাগাম নতুন মুদ্রানীতিতে

বিপিপিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ই-জিপি আধুনিকায়নে প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

মুদ্রানীতিতে বাজেটের সুফল ম্লান হতে পারে: ডিসিসিআই

সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় বুধবার থেকে ‘এ-চালান’ বাধ্যতামূলক

জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমাল বাংলাদেশ ব্যাংক

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে মুদ্রানীতি ঘোষণা

সুদ বাড়িয়েও মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি কমানো যায়নি