অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর (ইজেড) ডোমেস্টিক প্রসেসিং এরিয়া (ডিপিএ) ভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের নিয়ম শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) পূর্বানুমোদন থাকলে রয়্যালটি, কারিগরি জ্ঞান (টেকনিক্যাল নো-হাউ) ও কারিগরি সহায়তা (টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স) বাবদ নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত অর্থও বিদেশে পাঠানো যাবে।
সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে।
এতদিন ডিপিএভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের পক্ষে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো নির্ধারিত সীমার মধ্যে এসব খাতে বিদেশে অর্থ পাঠাতে পারত। নতুন প্রকল্পের ক্ষেত্রে এ সীমা ছিল আমদানিকৃত যন্ত্রপাতির মূল্যের সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ। আর চলমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আগের অর্থবছরের আয়কর রিটার্নে ঘোষিত বিক্রয় আয়ের সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ পাঠানোর সুযোগ ছিল।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বেজার পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে এই সীমার অতিরিক্ত অর্থও বিদেশে পাঠানো যাবে। পাশাপাশি এ ধরনের অন্যান্য বৈধ ব্যয়ের ক্ষেত্রেও অর্থের পরিমাণ যাই হোক না কেন, বিদেশে অর্থ পাঠানোর আগে বেজার অনুমোদন নিতে হবে।
ব্যবসায়ীরা বলেন, এ সিদ্ধান্তে ডিপিএভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সীমান্তপাড়ের আর্থিক লেনদেন আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি–সংক্রান্ত সেবা বাবদ অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা কমবে, যা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।