হোম > বাণিজ্য

রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি চায় মালিক সমিতি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

দেশের সব দোকান, বিপণিবিতান ও শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। সংগঠনটির দাবি, বিদ্যমান সময়সীমার কারণে খুচরা বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে; ফলে ব্যবসা, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্ষতির মুখে পড়ছে।

রোববার প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক আবেদনপত্র এবং পরদিন প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি তুলে ধরে সংগঠনটি। সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে বলা হয়, দেশের খুচরা বাণিজ্য অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত। শহর, মফস্বল ও গ্রামীণ অঞ্চলের অসংখ্য দোকান, বাজার ও শপিংমলকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবিকা গড়ে উঠেছে। এ খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন প্রায় ৭০ লাখ দোকানমালিক, কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা।

সংগঠনটির ভাষ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, ব্যাংকঋণের কিস্তি, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ফলে অনেক উদ্যোক্তা আর্থিক চাপের মধ্যে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।

এর পাশাপাশি চাকরি ও অন্যান্য পেশাগত ব্যস্ততার কারণে অধিকাংশ ক্রেতা দিনের পরিবর্তে বিকেল কিংবা সন্ধ্যার পর কেনাকাটার জন্য বাজারে আসেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হওয়ায় সম্ভাব্য বিক্রির বড় একটি অংশ হাতছাড়া হচ্ছে।

সমিতির মতে, প্রতিদিন দুপুর ১২টা বা সরকার নির্ধারিত যে কোনো সময় থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান ও শপিংমল পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হলে ক্রেতারা সুবিধাজনক সময়ে কেনাকাটা করতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বিক্রি বাড়বে, কর্মসংস্থান সুরক্ষিত থাকবে এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে মনে করছে সংগঠনটি।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সময়সীমা বাড়ানোর দাবি বাস্তবায়ন না হলে বিপুলসংখ্যক ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার গত ১ জুন থেকে দোকান, মার্কেট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশনা পুনরায় কার্যকর করে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাময়িকভাবে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হলেও সেই সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। একই নির্দেশনার আওতায় বিলবোর্ডের আলোকসজ্জা, মেলা, বাণিজ্যমেলা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার বিধান কার্যকর রয়েছে।

তবে দোকান খোলার সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গোডাউনে এলাচের পাহাড়, দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা কমাতে ডিজিটালাইজেশনে জোর টিসিবির

রপ্তানির গতি বাড়াতে প্রণোদনার ৫০০ কোটি টাকা ছাড়

শুল্ক-অশুল্ক বাধা দূর হলে যুক্তরাজ্যে ১০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি সম্ভব

সোনালী ব্যাংকের এটিএমসহ সব লেনদেন দুই দিন বন্ধ থাকবে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন, দেশে ভরি কত

ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার

সূচকের সামান্য উত্থান, কমেছে লেনদেন

নগদ লভ্যাংশ বিধিমালা লঙ্ঘনে শাস্তির সিদ্ধান্ত বিএসইসির

নন-কটন পোশাক রপ্তানিতে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ