হোম > বাণিজ্য

লুটেরাদের ফেরার সুযোগে ভয়ে ব্যাংক মালিকরা

স্টাফ রিপোর্টার

ব্যাংক রেজুলেশন (সংশোধিত) আইনের একটি ধারায় সাবেক মালিকদের ব্যাংকে ফেরার সুযোগ রাখা নিয়ে ভয়ে আছেন ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)।

সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সংগঠনটির সভাপতি ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক এ কে আজাদ, ইউসিবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান শরীফ জহির, পূবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান এবং ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান রোমো রউফ চৌধুরী।

আব্দুল হাই সরকার বলেন, সংশোধিত আইনের ধারায় যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে গেছে, তাদের ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে—এ বিষয়টি নিয়ে আমরা ভয়ে আছি। যারা অতীতে ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত ছিল, তারা আবার ফিরে এলে ব্যাংক খাতে নতুন করে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেন, কারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে গেছে, তা সাধারণ মানুষও জানে। তাই তাদের ফেরার সুযোগ দেওয়া হলে ব্যাংক খাতের প্রতি জনগণের আস্থা আরও কমে যাবে। এতে নতুন করে সংকট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের আরও গভীরভাবে ভাবা উচিত।

বিএবি সভাপতি জানান, বৈঠকে গভর্নর তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, সংশোধিত আইনের ১৮(ক) ধারার শর্ত পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করে সাবেক মালিকদের ফেরার সুযোগ হবে না। একই সঙ্গে পাঁচটি ব্যাংকের চলমান একীভূতকরণ প্রক্রিয়াও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আব্দুল হাই সরকার আরও বলেন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়নের আগে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। তাহলে সিদ্ধান্তগুলো আরও গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর হতো।

এএস

রেমিট্যান্স-রিজার্ভে স্বস্তি ফিরলেও অর্থনীতির সংকট কাটেনি

দুই লাখ ৮৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ পরিশোধের চাপে সরকার

টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তার মহাপরিকল্পনা করেছে সরকার

স্বর্ণ চোরাচালানের নিরাপদ করিডর, হোতারা অধরা

একীভূত পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকরা সেপ্টেম্বর থেকে প্রয়োজনীয় টাকা তুলতে পারবেন

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের সুখবর দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবেই খেলাপি ঋণ আদায়ের নির্দেশ সরকারের

বেশি দরে ডলার বিক্রি করতে চায় মানিচেঞ্জারগুলো