চলতি বছরের মে মাসে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে, যা আগের মাস এপ্রিলে ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। সর্বশেষ মার্চ মাসে ৯ শতাংশের নিচে ছিল সার্বিক মূল্যস্ফীতি।
বোরবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মে মাসের মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, টানা চার মাস ধরে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির পর মার্চে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছিল। এখন এপ্রিল ও মে পর পর দুই মাস আবার বাড়ল। এক মাস আগে অর্থাৎ এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে। তার আগে মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। আর ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। জানুয়ারি মাসে ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, খাদ্যপণ্যে চাপ আরও বেড়েছে। মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৬ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ভোজ্যতেল, শাকসবজি, ডিম ও মুরগির বাজারদর বাড়ায় নিম্ন ও মধ্য আয়ের পরিবার বেশি চাপে পড়েছে। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশে পৌঁছেছে, যেখানে এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। জ্বালানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং পরিবহন ব্যয়ের বৃদ্ধি এই খাতে বড় প্রভাব ফেলেছে।
বিবিএসের তথ্য বলছে, গ্রাম ও শহর—উভয় এলাকায় মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। মে মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে, যা এপ্রিলে ছিল ৯ দশমিক ০৫ শতাংশ। শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির সামগ্রিক হার ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ।