হোম > বাণিজ্য

জুন মাসে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ

স্টাফ রিপোর্টার

চলতি বছরের জুন মাসে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে। এর আগে মে মাসে এই হার কিছুটা বেড়ে ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে পৌঁছেছিল। সর্বশেষ মাসে স্বস্তি ফিরেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিতেও ।

সোমবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জুন মাসের মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ কমে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ হয়েছে, গত মে মাসে যেটি ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। জুন মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬০ শতাংশে। মে মাসে যেটি ছিল ৯ দশমিক ০৬ শতাংশ।

এদিকে মে মাসে সার্বিক খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ থাকলেও জুন মাসে সেটি কমে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। কমেছে শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ।

বিবিএসের তথ্য বলছে, জুন মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৯ দশমিক ২৩ শতাংশে নেমেছে, যা আগের মাসের তুলনায় শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ পয়েন্ট কম। এ সময়ে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশে।

অন্যদিকে শহরাঞ্চলেও মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেয়েছে। জুনে শহরের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৯ দশমিক ০১ শতাংশে এসেছে, যা আগের মাসের তুলনায় শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ পয়েন্ট কম। এ সময়ে শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে।

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের সুখবর দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবেই খেলাপি ঋণ আদায়ের নির্দেশ সরকারের

বেশি দরে ডলার বিক্রি করতে চায় মানিচেঞ্জারগুলো

অর্থবছরের প্রথম মাসে এডিপি বাস্তবায়ন মাত্র ০.৬৯ শতাংশ

৬ মাসে অর্থনীতিতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও নেতিবাচক প্রবণতাই বেশি: সিপিডি

ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় এক লাখ কোটি টাকা

বিও হিসাব খোলায় চালু হচ্ছে ই-কেওয়াইসি

জনতা ব্যাংকের সংকট কাটাতে রূপরেখা তৈরির নির্দেশ