এমডব্লিউ বাংলাদেশের উদ্যোগে পল্লিকবি জসীম উদ্দীনকে উৎসর্গ করে মায়া বেঙ্গল ইন মোশন-এর তৃতীয় আয়োজন: নকশী কাঁথার মাঠ। পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের লেখা দুই লাইনেই ফুটে ওঠে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত “নকশী কাঁথার মাঠ” কাব্যগ্রন্থের চিরায়ত বিরহের আবেদন।
আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস এবং পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশ এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড-এর ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড মায়ার যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো মায়া বেঙ্গল ইন মোশন, প্রেজেন্টেড বাই এম ডব্লিউ-এর তৃতীয় আয়োজন।
পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের জন্মবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছিল এবারের অনুষ্ঠান। “নকশী কাঁথার মাঠ” তার শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্ম হিসেবে বিবেচিত হয় এবং পৃথিবীর অনেক ভাষায় এটি অনুবাদিত হয়েছে। ১৯৫৯ সালে প্রথমবার বুলবুল ললিতকলা একাডেমির উদ্যোগে “নকশী কাঁথার মাঠ” কাব্যগ্রন্থকে নৃত্যনাট্যে রূপান্তর করা হয়।
মায়া বেঙ্গল ইন মোশন-এর তৃতীয় আয়োজনে সেই অমর কাব্য অবলম্বনে নির্মিত লোক নৃত্যনাট্যের মাধ্যমে আরও একবার রূপাই ও সাজুর মর্মস্পর্শী প্রেম ও বিরহের আখ্যান মঞ্চে জীবন্ত হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড মায়া শুরু থেকেই ‘বেঙ্গল ইন মোশন’ প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত থেকে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির জগতে নতুন কিছু করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। মায়া এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পীদের জন্য একটি অর্থবহ মঞ্চ তৈরি করছে, যেখানে তারা তাদের মেধা ও সৃজনশীলতা তুলে ধরতে পারে এবং একই সঙ্গে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি অর্জনের সুযোগ পায়।
সেই ধারাবাহিকতায় এ বছর অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় ১৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে, আলোকি কনভেনশন সেন্টারে। এ আয়োজনে নৃত্য পরিবেশন করেন প্রখ্যাত শিল্পী শামীম আরা নীপা, শিবলী মোহাম্মদ এবং নৃত্যাঞ্চল। এই পরিবেশনার কিউরেটর হিসেবে ছিলেন আনিসুল ইসলাম হিরু। সঙ্গীত, নৃত্যকলা এবং আবেগঘন আখ্যানের সমন্বয়ে তারা বাংলার গ্রামীণ জীবনের সারল্য ও সৌন্দর্যের মনোমুগ্ধকর রূপটি তুলে ধরেন উপস্থিত দর্শকের সামনে।
পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকরা গভীর আগ্রহ ও মুগ্ধতা নিয়ে এই পরিবেশনা উপভোগ করেছেন।
এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশ-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মিস রুমানা চৌধুরী এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড-এর সিইও মালিক মোহাম্মদ সাঈদ। জনাব সাঈদ বলেন, ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড মায়া বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে বিশ্বমানের ন্যাচারাল প্রোডাক্ট তুলে দেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সামনেও এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি সবাইকে আমাদের মাটি, সুর আর শিকড়ের গভীরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এবারের আয়োজনের ব্রডকাস্ট পার্টনার মাছরাঙা টেলিভিশন, পিআর পার্টনার মিডিয়াকম, সিকিউরিটি পার্টনার এইজিস সিকিউরিটি ফোর্সেস, ডেকর পার্টনার এসকে ইভেন্টস এবং অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড।
অনুষ্ঠানটি আগামী ২৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উপলক্ষে মাছরাঙা টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হবে।