গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) কৃষি অনুষদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ঐক্য, অভিজ্ঞতা ও দায়বদ্ধতাকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় যুক্ত করার লক্ষ্যে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কৃষি অনুষদীয় সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক প্রাণবন্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ সাধারণ সভার মধ্য দিয়ে নতুন এই অ্যালামনাই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. নাসিমুল বারী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শরীফ রায়হান, প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং কৃষি অনুষদের সদ্য সাবেক ডিন প্রফেসর ড. মো. আব্দুল বাছেত মিয়া। এছাড়া মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবিরসহ অনুষদের বিপুলসংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। স্মৃতিচারণ, দায়িত্ববোধ এবং ভবিষ্যৎ স্বপ্নের সম্মিলনে মুখর এ আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাদের আবেগঘন সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করেন। আলোচনায় উঠে আসে শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা সহযোগিতা, শিক্ষার্থীদের মেন্টরশিপ, কর্মসংস্থান সংযোগ এবং শিল্প-একাডেমিয়া অংশীদারিত্ব জোরদারের নানা বাস্তবমুখী পরিকল্পনা। পরবর্তীতে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কৃষি অনুষদের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং, খামারবাড়ি, ঢাকায় কর্মরত অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. মহিউদ্দিন মজুমদারকে আহ্বায়ক এবং পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদা আক্তারকে সদস্যসচিব নির্বাচিত করা হয়। নবগঠিত কমিটির প্রধান লক্ষ্য হলো অ্যালামনাইদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ঐক্য জোরদার করা, একটি পূর্ণাঙ্গ ও গণতান্ত্রিক কমিটি গঠন করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণা সম্প্রাসারণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে কার্যকর ভ‚মিকা রাখা। পরে উপস্থিতগণ নানা উৎসাহ ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন্ত সম্পদ, তাদের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও পেশাগত সাফল্য বর্তমান শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগায়। এই সংগঠন অ্যালামনাইদের পারস্পরিক বন্ধন দৃঢ় করবে, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রমে সহায়তা বাড়াবে এবং শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগকে আরো শক্তিশালী করবে। আমি বিশ্বাস করি, সবার সম্মিলিত প্রয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)