হোম > বাণিজ্য > অর্থনীতি

অডিট রিপোর্টের গুণগত মান বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে

কাওসার আলম

অডিটরদের পেশাগত দক্ষতা ও মানোন্নয়নের মাধ্যমে আর্থিক খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে আইসিএবি। অডিটের সংখ্যাগত দিক থেকে নয়, বরং গুণগত মান বৃদ্ধির বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে এফআরসি গঠনের পর এক দশক পার হলেও এখনো এটি পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। এটিকে কার্যকর করতে একজন পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। অডিটরদের কার্যক্রম, তাদের পেশাগত মানোন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমার দেশ-এর সঙ্গে কথা বলেছেন আইসিএবি প্রেসিডেন্ট সাব্বীর আহমেদ এফসিএ। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন কাওসার আলম

আমার দেশ : দেশের আর্থিক খাতে আইসিএবির ভূমিকা কী?

সাব্বীর আহমেদ : ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) সম্পর্কে এক ধরনের ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। অনেকে মনে করেন আইসিএবি অন্য আর দশটি সাধারণ ব্যবসায় সমিতির মতো অডিটরদের একটি সংগঠন। কিন্তু এটি একটি রেগুলেটরি বডি (নিয়ন্ত্রক সংস্থা)। ‘দ্য বাংলাদেশ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অর্ডার, ১৯৭৩’ অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পেশাদার হিসাববিদ ও নিরীক্ষা কাজের তদারকি করে থাকে আইসিএবি। এর মাধ্যমে পুরো অডিট ব্যবস্থাকে নিয়মের আওতায় রেখে আর্থিক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখছে আইসিএবি।

আমার দেশ : দেশের অর্থনীতির আকার বড় হচ্ছে। ব্যবসায় নতুন নতুন ধারণা যুক্ত হচ্ছে। চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে অডিটরের সংখ্যা ও গুণগত মান বৃদ্ধিতে আইসিএবি কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে?

সাব্বীর আহমেদ : দেশে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ও অডিট ফার্মের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের অর্থনীতির আকার বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসদের চাহিদা আরো বৃদ্ধি পাবে । কিন্তু সংখ্যা বাড়াতে গিয়ে গুণগত মানের সঙ্গে আপস করার কোনো সুযোগ নেই। গুণগত মানবৃদ্ধির সঙ্গে সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি জড়িত। এখন অনেক কোম্পানি এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি) সিস্টেম ব্যবহার করছে। অডিটরদেরও এসব নতুন নতুন পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত হতে হবে। এছাড়া প্রতিনিয়ত রেগুলেশনে যেসব পরিবর্তন আসছে সেগুলো সম্পর্কেও তাদের জ্ঞান থাকা জরুরি। অর্থাৎ একদিকে প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা, অন্যদিকে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে গুণগত মান নিশ্চিত করতে আইসিএবি কাজ করছে।

আমার দেশ : অডিট কার্যক্রমে প্রচুর পরিমাণে নথি যাচাই করতে হয়। এটি সময় ও শ্রমসাপেক্ষ। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে খুব কম সময়ে শতভাগ নথি যাচাই করা সম্ভব। আগামীতে অডিট কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে আপনাদের কোনো চিন্তাভাবনা রয়েছে কি?

সাব্বীর আহমেদ : ব্যাপকহারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের জন্য আমাদের বিজনেস ডেটা রেডি থাকতে হবে। ডেটা যদি ঠিক না থাকে তাহলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের কারণে এক ধরনের হ্যালুসিনেশনের মধ্যে পড়ার আশঙ্কা থাকবে। তখন না বুঝে অনেকে এটিকে খুবই চমৎকার মনে করবে কিন্তু বাস্তবতা আসলে ভিন্ন। এ জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটা প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। তাই বলে আমরা একদম বসে রয়েছি, বিষয়টা এমন নয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্টুডেন্ট ও অডিটররা কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে। তবে এটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

আমার দেশ : ডিভিএস চালুর উদ্দেশ্য কী ছিল? এটি চালুর ফলে কী ধরনের প্রভাব পড়ছে?

সাব্বীর আহমেদ : আইসিএবি ২০২০ সালে নিজ উদ্যোগে ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (ডিভিএস) চালু করে। ডিভিএস চালুর আগে একই কোম্পানির দুই-তিন ধরনের আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করা হতো। ব্যাংকে এক ধরনের, এনবিআরে আলাদা আর্থিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হতো। কোম্পানির পরিচালকরা নিজেদের জন্য আলাদা প্রতিবেদন তৈরি করতেন। ভিন্ন ভিন্ন আর্থিক প্রতিবেদনের কারণে অনেক সময় অডিটরদের দায়ী করা হতো। অথচ দেখা গেছে অডিটরদের স্বাক্ষর জাল করে, সিল ব্যবহার করে এসব প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এখন ডিভিএস চালুর ফলে এ ধরনের ভুয়া অডিট রিপোর্ট তৈরির পথ বন্ধ হয়েছে। এখন যে কেউ সিস্টেমে প্রবেশ করে কোম্পানির নাম, অডিটরের নাম ও নিরীক্ষা বছর দেখতে পারবে। ডিভিএস চালু হওয়ায় একাধিক অডিট প্রতিবেদন তৈরির যে অনিয়ম ছিল সেটা রোধ হয়েছে। এখন আমরা অডিট রিপোর্টের গুণগত মান ও যথার্থতার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছি।

আমার দেশ : অডিটর ও অডিটি ফার্মের মধ্যে এক ধরনের সমঝোতার কথা প্রায়ই শোনা যায়। এটার সত্যতা কতটুকু? এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে আইসিএবি কী ধরনের ব্যবস্থা নিয়ে থাকে?

সাব্বীর আহমেদ : সব পেশাতেই সবাই শতভাগ সঠিকভাবে কাজ করতে পারছে বা করে থাকে, এটা কেউই বলতে পারবে না। অনেক সময় বিষয় সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান না থাকার কারণেও অনিচ্ছাকৃত ভুল হতে পারে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোম্পানির দ্বারাও প্রভাবিত হতে পারেন। তারপরও যদি কেউ পেশাগত দায়িত্ব পালন না করে থাকে কিংবা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে থাকে এবং প্রমাণিত হয় তাহলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। গত কয়েক বছরে আইসিএবি বেশ কিছু অডিটর ও অডিট ফার্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে এবং নিচ্ছে।

আমার দেশ : ব্যাংকের নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরিতে নিরীক্ষা ফার্মগুলোর বিরুদ্ধেও সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে আইসিএবির ভূমিকা কী?

সাব্বীর আহমেদ : বর্তমানে ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতির বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছে । প্রভিশন ঘাটতি সঠিকভাবে উপস্থাপন না হওয়ার পেছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে । যেমন—ব্যাংক যেসব কোম্পানিকে ঋণ দিয়েছে—সেগুলো শুরুতে নিয়মিত থাকলেও পরবর্তী সময়ে ব্যবসায়িক মন্দাজনিত কারণে অথবা অর্থ পাচারের কারণে কোম্পানিগুলো খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। এসব ব্যাংকের অডিটররা প্রভিশন ঘাটতির রিপোর্ট করেনি—এমনটা বলা হচ্ছে। খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশনিং করতে গিয়ে দেখা যায় ব্যাংকগুলোর পুঞ্জীভূত সঞ্চিত আয় (রিটেইন আর্নিংস) বড় ধরনের ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ডসের (আইএফআরএস) পরিবর্তে ব্যাংকগুলোকে প্রভিশনিং ঘাটতি সংরক্ষণে ডেফারেল সুবিধা দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মানতে গিয়ে অডিটররা এই ডেফারেল সুবিধাকে বিবেচনা করে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রস্তুত করে । তবে অডিটররা প্রভিশনিংয়ের ব্যাপারে সঠিক ডিসক্লোজার দিয়েছে কি না, আইসিএবি তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে। যদি অডিটররা সঠিক ডিসক্লোজার দিয়ে থাকে তাহলে অডিটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। ব্যাংকগুলো যেসব কোম্পানিকে ঋণ দিয়েছিল সেগুলোর ইনভেন্টরি, রিসিভেবলসহ এটা দেখার দায়িত্ব প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর। এটি করে না থাকলে—তা দেখার জন্য অডিটরের একটা দায় থাকতে পারে।

আমার দেশ : আইসিএবির মতো রেগুলেটরি বডি থাকা সত্ত্বেও এফআরসি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। একই ক্ষেত্রে দুটি রেগুলেটরি বডির কারণে দ্বন্দ্ব তৈরির আশঙ্কা রয়েছে কি?

সাব্বীর আহমেদ : অডিটরদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে এফআরসি (ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল) প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের জন্য কোন একক ঘটনা নয়। ২০০১ সালে এনরন ও ২০০২ সালে ওয়াল্ডকম নামে দুটি কোম্পানির অডিটরের দায়িত্বে অবহেলার কারণে একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র রেগুলেটরি অথরিটি গঠনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। এরই প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রে পাবলিক কোম্পানি অ্যাকাউন্টিং ওভারসাইট বোর্ড (পিসিএওবি) গঠিত হয়। যুক্তরাজ্যে এফআরসি (ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল) গঠিত হয়। বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ROSC A&A (Report on the Observance of Standards and Codes - Accounting and Auditing) এর ভিত্তিতে এফআরসি গঠনের সুপারিশ করা হয় এবং ২০১৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠা হয়। যদিও জনবল নিয়োগসহ নানা কারণে এখনো এটি পুরোপুরি কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি।

আইসিএবি নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলেও কোনো কোম্পানির কার্যক্রমের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই এবং তাদের কোনো কিছু করতে বাধ্য করতে পারে না। এফআরসির আইন অনুযায়ী কোম্পানিগুলোর ওপর তারা প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। এছাড়া আইসিএবি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে কি না কিংবা স্বার্থের দ্বন্দ্বের বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কি না, সেটা দেখভাল করতে পারে। কিন্তু এফআরসি যদি শুধু অডিট ফার্ম ও অডিটরদের নিয়ন্ত্রণ করে তাহলে সেটা ঠিক হবে না। এফআরসি ও আইসিএবি পরস্পরের প্রতিযোগী বা প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে পরিপূরক হিসেবে কাজ করলে কোনো সমস্যা হবে না।

আমার দেশ : আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এফআরসিকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। কিন্তু প্রতিষ্ঠার এক দশক পার হলেও এখনো এফআরসিতে স্থায়ী জনবল নিয়োগ হয়নি। চেয়ারম্যান পদটিও শূন্য রয়েছে।

সাব্বীর আহমেদ : এফআরসিতে এ পর্যন্ত যতজনকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাদের বেশির ভাগই সরকারি আমলা না হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাই তাদের টেকনিক্যাল জ্ঞান থাকলেও বাস্তবিক অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে এফআরসিতে যে ধরনের ভূমিকা পালন করার কথা—সেটা হয়নি। বর্তমানে এফআরসির চেয়ারম্যানের পদ শূন্য আছে। এখন সরকারের উচিত হবে এমন একজন প্রফেশনাল চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিয়োগ দেওয়া যার সততা ও ইন্টিগ্রিটি নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্ন নেই। বর্তমানে পেশা বা ফার্মের সঙ্গে যুক্ত নেই; স্বার্থের সংঘাত এড়াতে এমন পেশাদার কাউকে নিয়োগ দেওয়া উচিত। এফআরসিতে শুধু জনবল নিয়োগই নয় এখনো অনেক আইন ও বিধি প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এফআরসিকে শক্তিশালী করতে হবে।

আমার দেশ : ব্যাংকের অডিটের জন্য ফি নির্ধারণ করেছে এফআরসি। অন্যান্য কোম্পানির নিরীক্ষকদের জন্যও কি এ ধরনের ফি নির্ধারণ করা উচিত?

সাব্বীর আহমেদ : দেশের বাস্তবিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিগুলোর অডিট ফি নির্ধারণ করে দেওয়া সমীচীন বলেই মনে হয়। অনেক সময় কোনো মানদণ্ড না থাকার কারণে কোম্পানিগুলো যথাযথ অডিট ফি প্রদানে অনীহা প্রকাশ করে। একটি মান নির্ধারণ থাকলে এ ধরনের সমস্যা অনেকাংশেই মিটে যাবে।

আইসিএবি কেবল সাধারণ ব্যবসায় সমিতি নয়, বরং দেশের আর্থিক সুশাসন নিশ্চিতকারী একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা। যুগের চাহিদার সঙ্গে মিলিয়ে অডিটরদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের প্রস্তুতি এবং অডিট ফি নির্ধারণে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। অডিট রিপোর্টে জালিয়াতি বন্ধে ডিভিএস চালু করা হয়েছে এবং অডিটরদের অনিয়মে শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।

এছাড়া ব্যাংক অডিটের স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং এফআরসিকে শক্তিশালী করতে সরকারি আমলাদের পরিবর্তে স্বার্থের সংঘাতহীন পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিয়োগের মাধ্যমে দুই সংস্থার পরিপূরক সমন্বয়ের ওপর সাক্ষাৎকারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ধউর-আশুলিয়া দুটি সার্ভিস সেতুর উদ্বোধন

শ্রীবরদীতে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ

বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশন ও বাংলাদেশ স্কুল স্পোর্টস এসোসিয়েশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

দীনেশ ত্রিবেদীর আশা, দুই দেশের স্বার্থে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে রাস্তা নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন উদ্যোগ

স্টেডিয়াম, বিপিএল, টিকিট সব খাতেই পাপনের অনিয়মের রাজ্য

দৌলতখানে বিদেশি পিস্তলসহ যুবক আটক

মক্কা প্যাক্ট নিয়ে ঢাকার অবস্থানকে স্বাগত জানাল ইরান

মিসরে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৬, আহত ২৮