হোম > বাণিজ্য > অর্থনীতি

মুদ্রানীতি কঠোর হওয়ায় ১২ লাখ লোক চাকরি হারিয়েছেন

এ কে আজাদ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

হা-মীম গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ বলেন, শুধু মুদ্রানীতি কঠোর করলেই দেশে মূল্যস্ফীতি কমবে না। কারণ, এটি রাজস্বসহ আরো বহু বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। মুদ্রানীতি কঠোর করার কারণে ইতোমধ্যে ১২ লাখ লোক চাকরি হারিয়েছেন। আগামী ছয় মাসে আরো ১২ লাখ লোক চাকরি হারাতে পারেন।

মঙ্গলবার ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ (আইসিসি) আয়োজিত ‘ইমপ্লিকেশনস অব এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন ফর ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রি: বাংলাদেশ পার্সপেকটিভ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ও আইসিসির সভাপতি মাহবুবুর রহমানসহ অনেক ব্যবসায়ী ও ব্যাংকার উপস্থিত ছিলেন।

আহসান হাবিবের একটি গবেষণাপত্রের তথ্য তুলে ধরে এ কে আজাদ বলেন, ওই গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বাস্তবায়িত হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নে রপ্তানির ওপর ৪৫ শতাংশ প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে রেডিমেড গার্মেন্টস খাতে মন্দার কারণে ব্যাংকিং খাতে নন-পারফরমিং ঋণ ৩০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা সিস্টেমিক প্রেসারের মাধ্যমে রপ্তানি আরো কমিয়ে দেবে এবং ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট সৃষ্টি করবে। কারণ বর্তমানে সরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের হার ৫০ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে গড়ে ৩০ শতাংশ।

তিনি বলেন, মনিটারি পলিসি টাইট করার কারণে ১২ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে আগামী ছয় মাসে আরো ১২ লাখ লোক চাকরি হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বেসরকারি খাত ব্যাংক থেকে মাত্র ৬ শতাংশ ঋণ নিয়েছে, যেখানে সরকার নিয়েছে ২৭ শতাংশ, যা ভবিষ্যতে ৩২ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ছাড়া শুধুমাত্র মনিটারি পলিসির মাধ্যমে অর্থনীতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি জানান, বর্তমান সরকারকে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের প্রভাব সম্পর্কে বোঝানোর চেষ্টা করা হলেও তারা এতে একমত হননি। নতুন সরকার গঠন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এসব সমস্যার কথা তাদের সামনে তুলে ধরতে হবে। তা না হলে বিষয়গুলো বুঝতে তাদের অনেক সময় লেগে যাবে।

তুরস্কের বিনিয়োগ ব্যাংক ও দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

বাঁশখালীর মিষ্টি পানের চাহিদা বাড়ছে বিদেশে

তেজগাঁওয়ে রেলওয়ের পাঁচ একর জমি আবার অবৈধ দখলে

সুন্দরবনের দুয়ার খুললেও জীবিকা অর্জনে যেতে পারছেন না বনজীবীরা

‘কম খাইয়াও তো চলতে পারতাছি না’

যুদ্ধ ইরানকে আরো আত্মবিশ্বাসী করেছে: মার্কিন গোয়েন্দা পর্যালোচনা

দুই ম্যাচে পরাজয় ঠেকানো পিএসজি এবার হার মানল

শাহজালালে পরিত্যক্ত ১২ উড়োজাহাজ এখন গলার কাঁটা

ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস, ৫০ মার্কিন সেনার ‘পলিগ্রাফ’ পরীক্ষা করল ট্রাম্প প্রশাসন

পরশুরামে কাজ করতে এসে নেত্রকোনার শ্রমিকের মৃত্যু