রাজধানীর হাজারীবাগে জামিয়াতুল বালাগ ঢাকার ব্যবস্থাপনায় ‘রুহামা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর আয়োজনে দিনব্যাপী জাতীয় সীরাত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা ও সীরাত কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রুহামা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের আহ্বায়ক, লেখক ও গবেষক মুফতি আহসান শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও রুহামা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.)-এর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করা সম্ভব। এজন্য মানুষের জীবনের পরতে পরতে রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সীরাত বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।
প্রতিযোগী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আজ তোমরা ছোট। নবীর সীরাত চর্চা এবং বড়দের সম্মান ও আনুগত্যের মাধ্যমেই তোমাদের বড় হতে হবে। দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিদগ্ধ আলেম মুফতি লুৎফুর রহমান ফরায়েজি বিশ্বনবী (স.)-এর শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেন। সূরা দুহার তাফসির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কাফেরদের কুৎসা রটনার জবাব হিসেবে আল্লাহ তায়ালা এ সূরা অবতীর্ণ করেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা জানিয়েছেন, নবী (স.)-এর পরবর্তী জীবন আগের তুলনায় শ্রেয়।
‘আওয়ার ইসলাম’-এর সম্পাদক মুফতি হুমায়ুন আইয়ুব বাবা-মায়ের সেবার গুরুত্ব তুলে ধরে নবীজির জীবন থেকে বিভিন্ন শিক্ষার বিষয়ে আলোচনা করেন।
লেখক ও গবেষক মাওলানা যোবায়ের আহমাদ বলেন, বিশ্বনবী (স.) নারীদের শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি তথ্যনির্ভর আলোচনা করেন।
রুহামা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ফাউন্ডার মেম্বার ও টিভি উপস্থাপক মুফতি মোহাম্মদ সাইদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মুফতি আফসার মাহমুদ, মুফতি মাহবুব হাসান, মুফতি আবদুর রহীম বিপ্লবী, মুফতি আব্দুল কাইয়ুম হানাফি, মাওলানা হাবীবুর রহমান, মাওলানা সাইফুল্লাহ আল জাহিদ, মুফতি শেখ আজিমুদ্দীন, মুফতি সাঈদ আবরার নদভী, মুফতি ইসমাঈল হুসাইন শাহরিয়ার, মাওলানা আব্দুর রহমান হামিদী, মুফতি আব্দুল হামীদ, মুফতি জামালুদ্দীন প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে মুফতি আহসান শরীফ বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রুহামা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিযোগিতার প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে। এটি দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় পর্বের পর অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল রাউন্ড। দেশের মর্যাদাপূর্ণ কোনো হলে ফাইনাল আয়োজন করা হবে। এ বিষয়ে রুহামা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের পেইজে ঘোষণা দেওয়া হবে।