ঈদের দ্বিতীয় দিনে ১১ হাজার ৭৭৬ টন বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য
ঈদের দ্বিতীয় দিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন এলাকা থেকে ১১ হাজার ৭৭৬ টন বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
শুক্রবার ঢাকার শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান। এ সময় তিনি চলমান বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত কাজ শেষ করার প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
তিনি জানান, ঈদ উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় কোরবানির পশু এবং অস্থায়ী হাটের বর্জ্য দ্রুত অপসারণে নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ উপহার দিতে ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাঠে থেকে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
পরিদর্শনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঈদুল আজহার প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও কোরবানির পশুর বর্জ্য এবং অস্থায়ী হাটের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম অত্যন্ত জোরদারভাবে পরিচালিত হচ্ছে। নগরবাসীর স্বস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব বর্জ্য অপসারণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি জানান, ঈদের দ্বিতীয় দিনে বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ হাজার ৭৭৬ টন। পরিচ্ছন্নতাকর্মী, পরিবহন কর্মী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।
ঈদের দিন রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ১৪ হাজার ৮১৪ টন কোরবানির বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে চূড়ান্তভাবে ডাম্প করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএসসিসি প্রশাসক কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাট নির্ধারিত স্থানের বাইরে সম্প্রসারণ কিংবা অবৈধভাবে রাস্তা দখল করে পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে তাদের জরিমানা আরোপসহ কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।
ডিএসসিসির পক্ষ থেকে নগরবাসীকে নির্ধারিত স্থানে কোরবানি সম্পন্ন করা, পশুর বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে আন্তরিক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ঈদ উপলক্ষে বর্জ্য দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে ডিএসসিসির আওতাধীন এলাকায় অতিরিক্ত জনবল, যানবাহন, কনটেইনার ও পরিচ্ছন্নতা সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো কার্যক্রমের ওপর কড়া নজরদারির জন্য একটি বিশেষ মনিটরিং টিমও সার্বক্ষণিক কাজ করছে।