ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) উপাচার্য বলেছেন, ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামসমূহের অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন প্রক্রিয়ায় এআই টুলসের ব্যবহার অনস্বীকার্য ।
সোমবার (১১ মে) গাজীপুর-এ ‘এআই টুলস অ্যান্ড রেজাল্ট প্রিপারেশন উইদ কোর্স আউটকাম-প্রোগ্রাম আউটকাম ম্যাপিং ফর ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ইন অ্যাকাডেমিয়া’ বিষয়ক কর্মশালার তিনি এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালাটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। কী-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাসেল। কী-নোট স্পিকার হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এজুকেশন নেটওয়ার্কের (বিডিআরইএন) সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস ও নেটওয়ার্ক অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সেলের জেনারেল ম্যানেজার খন্দকার রাশেদুল আরেফিন এবং ইনোভেশন সেলের ম্যানেজার আবু নাসের মো. নাফিউ।
উপাচার্য বলেন, ‘ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডের গর্বিত সাক্ষরকারী হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের প্রকৌশল ডিগ্রিগুলোর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পথ সুগম হয়েছে। অ্যাকর্ডভুক্ত দেশগুলোতে বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্লোবাল ভিলেজের এ সুযোগ কাজে লাগাতে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিসমূহের অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন প্রক্রিয়ায় এআই টুলসের ব্যবহার অনস্বীকার্য। আমাদের বিভাগগুলোর অ্যাক্রেডিটেশনের জন্যও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাসহকারে আবেদন প্রক্রিয়া চলমান আছে। আশা করছি শীঘ্রই আমরা সেগুলোর স্বীকৃতি পেয়ে যাবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘এআই, মেশিন লার্নিং বর্তমান অ্যাকাডেমিয়ায় সিও-পিও ম্যাপিং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে সহজ করে দিয়েছে। আজকের কর্মশালা থেকে অর্জিত জ্ঞান ডুয়েটের বিভাগসমূহে বাস্তবায়ন এবং দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে কোলাবোরেশন বৃদ্ধির মাধ্যমে শিক্ষা, গবেষণা, প্রকাশনা, উদ্ভাবন, র্যাঙ্কিং উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধিসহ সর্বক্ষেত্রে ডুয়েটকে বিশ্বমানের একটি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি।’ তিনি এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং কর্মশালা আয়োজনের জন্য আইকিউএসিকে ধন্যবাদ জানান।
সভাপতির বক্তব্যে আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘কোর্স ও প্রোগ্রাম আউটকাম বেইজড শিক্ষা পদ্ধতি বর্তমানে পূর্বের কেবল অ্যাকাডেমিক রেজাল্ট ওরিয়েন্টেড পদ্ধতির স্থান নিয়েছে। দেশে দেশে প্রদত্ত ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিসমূহের বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু অনুসরণ করা হচ্ছে। অ্যাকাডেমিয়ায় সিও-পিও ম্যাপিং বাস্তবায়নের মাধ্যমেই ক্রাইটেরিয়াগুলো অর্জন করা সম্ভব। সেগুলো অর্জনের উপায় নিয়েই আমাদের আজকের কর্মশালা।’
অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডীন, বিভাগীয় প্রধান, আন্ডারগ্র্যাজুয়েট কোর্স কো-অর্ডিনেটর, ডিগ্রি প্রদানকারী বিভাগসমূহের প্রোগ্রাম সেল্ফ অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।