রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন শাখাসমূহের জুলাই ২০২৬ ভিত্তিক ব্যবসায়িক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার রাজধানীর দিলকুশায় রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। তিনি ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন শাখাসমূহের জুলাই ২০২৬ ভিত্তিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।
সভায় ব্যাংকের নির্ধারিত ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং গ্রাহকসেবার মান আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ব্যাংকের ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি শাখাভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহকদের আস্থা ধরে রাখতে মানসম্মত ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রমে গতি আনতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিনা আখতার।
অনুষ্ঠানে প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক মো. মইন উদ্দিন মাসুদ, বিভাগীয় কার্যালয় ঢাকা দক্ষিণের মহাব্যবস্থাপক তানভীর হাসনাইন মইন, ঢাকা উত্তরের মহাব্যবস্থাপক শেখ মুনজুর করিম এবং আদায় বিভাগ-২-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. মাহমুদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট শাখাসমূহের প্রধানরাও সভায় অংশ নেন।
সভায় জুলাই ২০২৬ ভিত্তিক ব্যাংকের বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম, শাখাভিত্তিক অর্জন ও সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে চলতি বছরের নির্ধারিত ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ, লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, গ্রাহকসেবা বৃদ্ধি এবং ব্যাংকের সামগ্রিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সভায় বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট শাখা ব্যবস্থাপকদের নিজ নিজ শাখার ব্যবসায়িক সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।