ট্রাইব্যুনালের বিচার নিয়ে মিথ্যাচার
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার মামলা ঘিরে ১২ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে দাবি করা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এম এস বাবু পাটোয়ারিকে আদালত অবমাননার দায়ে দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেয়।
দুপুরে আসামি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পন করে। এরপর শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল তাকে দুমাসের সাজা প্রধান করে। গত ৮ এপ্রিল আদালত আবমাননার দায়ে তার বিরুদ্ধেে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে গত, ৪ তারিখে বাবু ফেসবুকে লেখেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে সাজানো মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিতে বিভিন্ন দেশ ও গোষ্ঠীর নিকট থেকে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা খেয়েছে আসিফ নজরুল, শিশির মনির, তাজুল ইসলাম, বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার।
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব করে কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভ পরিবর্তন করে ইতিমধ্যে অবৈধ ক্যাঙ্গারো কোর্টের অবৈধ প্রসিকিউটর তাজুল পালিয়েছে! যেকোনো সময় অন্যরাও পালিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তিনি আরও লেখেন, 'ভদ্রবেশী উচ্চশিক্ষিত এই সকল ধুরন্ধর জালিয়াতচক্র যদি বিনা বিচারে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, তার দায়-দায়িত্ব সম্পূর্ণ বর্তমান সরকারকে নিতে হবে।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কেউ আইন ও বিচারের ঊর্ধ্বে নয়। গত ২০ মাস অবৈধ সরকারের অবৈধ আইন উপদেষ্টা মিথ্যাবাদী আসিফ নজরুল, আইনজীবী শিশির মনির, প্রতারক অবৈধ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম ও বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার এরা বাংলাদেশের বিচার আইন আদালত নিয়ে যে তামাশা করেছে অবশ্যই তারা শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।