হোম > আইন-আদালত

গুলশানে চাঁদাবাজি মামলায় ‘দোষ স্বীকার করে’ অপুর জবানবন্দি

স্টাফ রিপোর্টার

রাজধানীর গুলশানে সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় গিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম ওরফে অপুর দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

বুধবার রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এদিন আসামি জানে আলম স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)মোখলেছুর রহমান।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১ আগস্ট সকালে রাজধানীর ওয়ারী এলাকা থেকে জানে আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তার চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন ঢাকার একটি আদালত।

গত ২৭ জুলাই বৈষম্যের ৩ ও ছাত্রসংসদের ১ জনের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আমিনুল নামে ছাত্রসংসদের আরেক নেতাকে গাজীপুরের কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে৷ পরে ২ আগস্ট জানে আলমের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ৩ আগস্ট রিয়াদ এ ঘটনায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। আর বাকী ৩ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আসামিরা হলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বহিষ্কৃত ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক ইব্রাহিম হোসেন মুন্না, সদস্য মো. সাকাদাউন সিয়াম ও সাদমান সাদাব, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১৭ জুলাই সকাল ১০ টায় আসামি আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ, কাজী গৌরব অপু গুলশানের ৮৩ নম্বর রোডে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক এমপি শাম্মি আহম্মেদের বাসায় যান। তখন তারা হুমকি ধামকি দিয়ে ৫০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার দাবি করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যায়িত করে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করানোর হুমকি দেন এবং টাকা চেয়ে চাপ দিতে থাকেন তারা। এক পর্যায়ে সিদ্দিক আবু জাফর বাধ্য হয়ে নিজের কাছে থাকা নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও ভাইয়ের কাছে থেকে নিয়ে আরও পাঁচ লাখ টাকা প্রদান করেন। এ ঘটনার পর গত ১৯ জুলাই রাত সাড়ে ১০ টার দিকে আসামি রিয়াদ ও অপু বাদীর বাসায় প্রবেশ করে তার ফ্ল্যাটের দরজায় স্বজোরে ধাক্কা মারেন। বিষয়টি গুলশান থানা পুলিশকে মোবাইল ফোনে অবহিত করলে আসামিরা চলে যায়।

পরবর্তীতে ২৬ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫ টায় আসামি রিয়াদের নেতৃত্বে অপরাপর আসামিরা বাদীর বাসার সামনে এসে তাকে খুঁজতে থাকেন। বাসার দারোয়ান মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাকে বিষয়টি জানান। তখন আসামিদের দাবি করা বাকি ৪০ লাখ টাকা না দিলে তাকে পুলিশে ধরিয়ে দিবেন বলে হুমকি দিতে থাকেন। পরবর্তীতে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে তাৎক্ষণিক গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচ জনকে হাতেনাতে আটক করে এবং ওই সময় এজাহারনামীয় আসামি কাজী গৌরব অপু দৌড়ে পালিয়ে যান। 

ওই ঘটনায় শাম্মী আহমেদের স্বামী সিদ্দিক আবু জাফর বাদী হয়ে গুলশান থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার-বিরোধীদল ব্যর্থ: তাজুল ইসলাম

নারী নির্যাতন মামলায় পিডিবির সাবেক প্রধান প্রকৌশলীর স্ত্রী ও ছেলে কারাগারে

একাধিক বিয়ের তথ্য গোপন করায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর মামলা

সাবেক এমপি প্রিন্সের জমি-গাড়ি ক্রোক, ১৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

চিত্রনায়ক রিয়াজের আগাম জামিন আবেদন ফেরত দিল হাইকোর্ট

আন্দোলনে যাওয়ার আগে ছেলে বলল, ‘আব্বু দোয়া কর’, ফিরল লাশ হয়ে

কাদেরসহ সাতজনের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে

হাসিনাসহ ৩০ আসামিকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

সাবেক মন্ত্রী ইনু, শাহরিয়ার কবিরসহ ১১ জন ট্রাইব্যুনালে

গৃহকর্মীর মৃত্যু: স্ত্রীসহ ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক আশফাকের বিচার শুরু