হোম > আইন-আদালত

সাধারণ ক্ষমা চান সেই কনস্টেবল শোয়াইবুর

স্টাফ রিপোর্টার

আমি পুলিশ ভাইদের হত্যার বিচার চেয়েছিলাম, আর কখনো চাইবো না এমন আকুতি কনস্টেবল শোয়াইবুর রহমান জয়ের। বুধবার (১ এপ্রিল) সিএমএম কোর্টের হাজতখানা থেকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা বিটিভি ভবনের পাশে আবু নোমান নামে এক ব্যক্তি আহতের ঘটনায় করা মামলায় কনস্টেবল শোয়াইবুরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরনী মীরের আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোমিনুল ইসলাম।

এর আগে এজলাসে তোলার সময় শোয়াইবুর রহমান বলেন, পুলিশের চাকরিতে আমি এমন কোনো কাজ করিনি যে মামলা দেবে। পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে বলবো, আমাকে ক্ষমা করে দেন। আমি ক্ষমা চাইছি। আমি পুলিশ ভাইদের হত্যার বিচার চেয়েছিলাম। আমি আর কখনো চাইবো না। আমাকে সাধারণ ক্ষমা করে দেন। আমার ছোটো একটা বাচ্চা, আমাকে বাচ্চার কাছে ফিরে যেতে দেন।"

আওয়ামী সরকারের পতনের পর নিজেদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে পুলিশ সদস্যদের সংগঠিত করে আলোচনায় আসা কনস্টেবল শোয়াইবুর রহমানকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

গত ১৬ মার্চ রামপুরা থানার এসআই মোহাম্মদ গোলাপ উদ্দিন মাহমুদ তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন বুধবার ধার্য করেন। এদিন শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। শুনানিকালে তাকে এজলাসে তোলা হয়।

এসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সে আরো বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলতে চাই, আপনি একজন সৈনিকের সন্তান। আমাকে ক্ষমা করে দেন। আমি অন্যায় কিছু করিনি। আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে শ্রদ্ধা করি। তাকে বলতে চাই, কেন আমাকে বারবার মিথ্যা মামলায় দেয়া হচ্ছে। আমাকে মামলা দেয়া হচ্ছে কমিশনার জানে না, আইজিপি জানে না। তাহলেকে মামলা দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বলা হয় আগে স্বৈরাচার ছিল, তাহলে এখন স্বৈরাচারী কায়দায় কে মামলা দিচ্ছে। আমি পুলিশের প্রত্যেকটা স্যারের কাছে ক্ষমা চাইছি, আমার ভুল কোনটা ছিলো? আমি কনস্টেবল শোয়াইব, আমার ভুল কোথায় ছিলো আমি জানতে চাই। আমি কোনো দলের ছিলাম না। আমি যদি কোনো দলের থেকে থাকি, আমাকে যেন আরো মামলা দেয়া হয়। আমি যদি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকি, তাহলে আমাকে যেন ফাঁসি দেয়া হয়।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুর দেড়টার দিকে আন্দোলনকারীরা রামপুরা বিটিভি ভবনের পাশে আন্দোলন করছিল। সেখানে আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হন আবু নোমান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রামপুরা থানায় মামলা করেন তিনি।

উল্লেখ, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে কনস্টেবলদের বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেওয়া কনস্টেবল শোয়াইবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা তৈরির অভিযোগ আনা হয়েছে।

বাগেরহাট-২ আসনের ব্যালট ইসির হেফাজতে রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের

স্মৃতিসৌধে আটক তিন সন্তানের জননীকে মুক্তির নির্দেশ

হাদি হত্যা মামলা: সঞ্জয় চিসিমের জামিন নামঞ্জুর

গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর দুই ছেলেসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

১২৫ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

বাগেরহাট-২ আসনের ব্যালট-রেজাল্ট শিট ইসিকে হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ

হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মশিউর

হাসানাত আব্দুল্লাহসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ দাখিল

পাঁচ টাকার জন্য খুন, আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

আইডিআরএ চেয়ারম্যান মোশারফ ও স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দ