হোম > আইন-আদালত

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় দুই বিএনপি নেতাকে হত্যা করেন সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ

ট্রাইব্যুনালে নিহতের ছেলের জবানবন্দি

স্টাফ রিপোর্টার

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দুই বিএনপি নেতাকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বরিশালের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে তেরতম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন নিহত কবির হোসেনের ছেলে আশিকুর রহমান আছিফ।

হত্যাকাণ্ডের শিকার দুজন হলেন— আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার ও উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন মোল্লা।

বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জবানবন্দি দেন তিনি।

জবানবন্দিতে আশিকুর রহমান বলেন, আমার বর্তমান বয়স আনুমানিক ২২ বছর। এই মামলার ভিকটিম কবির হোসেন মোল্লা আমার বাবা। আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এই মামলার অপর ভিকটিম টিপু হাওলাদার চাচার সঙ্গে আগৈলঝাড়া উপজেলায় রাজনীতি করতেন। তারা অনেক জনপ্রিয় ছিলেন। লোকজন তাদের পছন্দ করতেন এবং তাদের ডাকে সাড়া দিতেন। গ্রামের লোকজন যেকোনো বিপদে এই দুজনকে পাশে পেতেন। এই জনপ্রিয়তার কারণে বরিশাল-১ আসনের তৎকালীন এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ তাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন। তিনি বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার জন্য হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখাতেন।

তিনি বলেন, কিছুদিন পরপরই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর লোকজন আমাদের বাড়িতে এসে বিভিন্ন প্রকার হুমকি-ধমকি দিয়ে আমার বাবাকে বাড়ি ছেড়ে যেতে বলতেন, না হয় তাদের দলে যোগ দিতে বলতেন। এসব হুমকির মুখে বাবা এলাকা ছেড়ে আমাদের নিয়ে ঢাকার আশুলিয়া থানার কুড়গাঁও এলাকায় চলে আসেন। আমার বাবা বাসের ড্রাইভার হিসেবে কাজ করতেন এবং আমার মা গার্মেন্টসে কাজ করতেন।

জবানবন্দিতে আছিফ বলেন, ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া থানার একটি মিথ্যা মামলায় কুড়গাঁওয়ের বাসায় ১২-১৩ জন লোক এসে নিজেদের ডিবি পরিচয় দিয়ে আমার বাবাকে তুলে নিয়ে যায়। আমার মা জিজ্ঞেস করলে তারা জানান, এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর নির্দেশে বাবাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে টেলিভিশনের খবরে জানতে পারি, আমার বাবা ও টিপু হাওলাদার চাচা পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। গ্রাম থেকে আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে মোবাইলে জানতে পারি, পুলিশ দুজনকে খুন ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করেছে। আমরা ওই দিন সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখি, পুলিশ ময়নাতদন্ত শেষে আমার বাবার লাশ রেখে গেছে। পরে জানতে পারি, এসপি এহসান উল্লাহর মাধ্যমে এএসআই মাহাবুল ও এএসআই জসিমকে দিয়ে তাদের ক্রসফায়ার দেওয়া হয়েছিল। আমি এই হত্যার বিচার চাই।

আপনার ছেলের সারা শরীরে গুলিবিদ্ধ, এখানে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়

নাশকতার পরিকল্পনা, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ১৫ নেতাকর্মী রিমান্ডে

মুক্তি পেলেন বিচারপতি খায়রুল

১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ২১ সেপ্টেম্বর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ও ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল

হান্নান মাসউদের এমপি পদ শূন্য চেয়ে হাইকোর্টে রিট

আয়নাঘরে ঝুলিয়ে বেধড়ক পেটানো হয় ছাত্রদল নেতা নূরে আলমকে

চেক ডিজঅনারের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মুজিব পরদেশীকে

সিরাজগঞ্জে যুবদল নেতা হত্যা: স্ত্রীসহ দুইজনের যাবজ্জীবন